kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বদলে যাওয়া লুইস

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বদলে যাওয়া লুইস

বদলে যাওয়া এক মানুষ ক্রিস লুইস। এ সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার আট বছর আগে গ্যাটউইক বিমানবন্দরে কোকেন পাচারের সময় ধরা পড়েছিলেন।

এরপর কারাগারে সাড়ে ছয় বছর। সেই তিনিই এখন পেশাদার ক্রিকেটারদের শোনাচ্ছেন সুস্থ জীবন গড়ার উপদেশ। নিজেকে নিয়েও এখন আর তাঁর কোনো সংশয় নেই, ‘আমি খুব বড় একটা ভুল করেছিলাম; কিন্তু সেটিই শেষ কথা নয়। মানুষ হিসেবে আমি এখন নিজেকে খারাপ ভাবি না। ’

থ্রি লায়ন্সের হয়ে ৩২ টেস্ট ও ৫৩টি এক দিনের ম্যাচ খেলা লুইস এখনকার খেলোয়াড়দের বোঝাচ্ছেন ক্রিকেট ছাড়ার পরের জীবনটা নিয়েও আগেভাগে ভেবে রাখার গুরুত্বের কথা, ‘গোটা জীবনটা নিয়েই আমি ওদের একটা ধারণা দিতে চাইছি। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে ১০-১২ বছরের জীবনটাই সব নয়, পরিকল্পনা সাজাতে হবে বাকি জীবনটা নিয়েও। সেটি না করাই হবে নির্বুদ্ধিতা। ’ যার খেসারত লুইস নিজে দিয়েছেন। ২০০০ সালে খেলা ছাড়ার পর কী করবেন বুঝে উঠতে পারেননি। ধীরে ধীরে অর্থকষ্টের মধ্যে পড়ে যান। ২০০৮ সালের দিকে টি-টোয়েন্টি দিয়ে ক্রিকেটে ফেরার চেষ্টা করেও সফল হননি। এর পরই মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে যান। সে বছরই এক বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের সঙ্গে গ্যাটউইক বিমানবন্দরে কোকেনসহ ধরা পড়েন। এরপর সাড়ে ছয় বছরের সেই কারাবাস। এ ভয়াবহ জীবন থেকে মুক্তির তীব্র ইচ্ছাই তাঁকে আবার নতুন জীবন দিয়েছে, ‘ওখানে আমি আর থাকতেই পারছিলাম না। একটু বিশ্রাম, একটু শান্তির ঘুমের জন্য পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। আরো মাস ছয়েক থাকলে হয়তো তা-ই হয়ে যেতাম। ’

গত বছরের জুনেই লুইস ছাড়া পান জেল থেকে। বেরিয়েই স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠান করেন। এ বছরের শুরুর দিকে ইংল্যান্ড প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন তাঁকে নির্বাচিত করে কাউন্টি ক্লাবগুলোতে গিয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য। লিস্টারশায়ারে প্রথম সেশন হয়েছে তাঁর। মেইল অনলাইন


মন্তব্য