kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মালিক-আকমল জেতালেন পাকিস্তানকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মালিক-আকমল জেতালেন পাকিস্তানকে

লড়াই করল তারা জানপ্রাণ দিয়ে। সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে।

এক-দুই নয়, টানা তিন ম্যাচে। দু-একটি নয়, টানা তিনটি পরাশক্তির বিপক্ষে। কিন্তু ক্রিকেট দেবতার সুদৃষ্টি আর পড়ল না সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর। তাই তো শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশের পর কাল পাকিস্তানের কাছেও সাত উইকেটে হেরে গেল তারা।

আর টুর্নামেন্টে এই প্রথম জয়ে এশিয়া কাপের সম্ভাবনার মানচিত্রে নিজেদের টিকিয়ে রাখল পাকিস্তান।

অথচ ওই ক্যাচটি মুঠোবন্দি করতে পারলে ম্যাচের চালচিত্র হয়তো বদলে যেত আমূল! পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ১৬তম ওভার সেটি। শোয়েব মালিকের তুলে দেওয়া ক্যাচ স্কয়ার লেগে ফেলেন উসমান মুশতাক। ধরতে পারলে চতুর্থ উইকেট পড়ে শহীদ আফ্রিদির দলের। ২৫ বলে ৪০ রানের তুলনামূলক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয় পাকিস্তানকে। এমনিতে হয়তো ওই প্রয়োজন মেটানো তেমন কিছু নয়। কিন্তু কালকের ম্যাচে বোলারদের আধিপত্য বিবেচনায় তা নয় সহজ। ক্যাচটি মুঠো ফসকে পড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের জন্য সেটি কী সহজই না হয়ে যায়!

পরের ওভারের প্রথম দুই বলে চার-ছক্কা মালিকের ব্যাট থেকে। এর পরের ওভারের প্রথম তিন বলে উমর আকমলের ছয়-চার-ছয়। দুলতে থাকা ম্যাচটির গন্তব্য নির্ধারিত হয়ে যায় কয়েক মুহূর্তেই। ১৮তম ওভারের শেষ বলে মালিকের আরেক ছক্কায় ওভারে শুধু ২৩ রান হয়নি। সমীকরণটা হয়ে যায় জলবৎ তরলং। যেটি থাকতে পারত ২৫ বলে ৪০ রানের প্রয়োজনীয়তা, সেটি এসে দাঁড়ায় ১২ বলে চার রানে! আট বল ও সাত উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

ম্যাচের অনেকটা অংশজুড়ে অবশ্য ভিন্ন বার্তা দিচ্ছিল। আগের দুই খেলায় শ্রীলঙ্কাকে ১২৯ ও বাংলাদেশকে ১৩৩ রানে আটকে দিয়ে আমিরাত জিততে পারেনি ব্যাটিং ব্যর্থতায়। কাল আগে ব্যাটিং করে ছয় উইকেট ১২৯ রানের লড়াকু পুঁজি পায় আমিরাত। সেটি জয়ের রান হওয়ার জোগাড় ১৭ রানের মধ্যে পাকিস্তানের তিন উইকেট তুলে নিয়ে। কিন্তু উমর আকমল (৫০*) ও শোয়েব মালিকের (৬৩*) ১৫.৩ ওভারে ১১৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় আমিরাতকে।

তবে যদি মালিকের তুলে দেওয়া ওই ক্যাচটি ধরতে পারতেন আমিরাতের ফিল্ডার, ম্যাচের চিত্রনাট্য তো ভিন্নভাবেও লেখা হতে পারত!


মন্তব্য