kalerkantho


ধারাবাহিক উপন্যাস

বিষণ্ণ শহরের গল্প

সেলিনা হোসেন

৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বিষণ্ণ শহরের গল্প

অঙ্কন : বিপ্লব

চৌদ্দ

বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দে আনমনা হয় শহর। বুঝতে পারে বাতাসের সঙ্গে ওর এখন কথা হবে। তার আগে বাতাস চারদিক তোলপাড় করবে। পাতা ঝরাবে। ধুলা ওড়াবে। গাছের ডাল নুইয়ে আনবে। যখন কোনো খারাপ খবর ওকে মাথা পেতে নিতে হয়, তখন এমনই করে বাতাস।

অন্য সময় মৃদু লয়ে বইতে থাকে। স্নিগ্ধতার পরশ দেয় সবার মনে। লোকেরা হাঁটতে হাঁটতে বলে, আহ্ আজ দিনটা কী সুন্দর! বাতাসের আমেজে রোদের তেজ গায়ে লাগে না। চলো ঘুরে আসি পার্ক থেকে। নরম-মোলায়েম বাতাস খেয়ে আসি। বাতাস কি খাওয়া যায়? মানুষের বিশ্বাস সচল রাখে বাতাস। বাতাস না থাকলে দম বন্ধ হয়ে আসে। এটাকেই মানুষ বাতাস খাওয়া বলে। শহরের মাথায় ঘূর্ণি ওঠে। বাতাস ওর বন্ধু। বাতাসের জন্য ওর পথচলা সচল থাকে। ওর  শরীরে  বর্ষা-বসন্ত-শীতের পরশের সঙ্গে বাতাসের নিবিড় যোগ আছে। বাতাস ওকে মধুর আচ্ছন্নতায় ভরিয়ে রাখে। তার পরও বিষণ্নতা ওর প্রতিমুহূর্তের নিঃশ্বাস। ও এটাকে তাড়াতে পারে না। আজও তেমন একটি ঘটনা ওর বুকের ওপর ঘটবে।

মুহূর্তে প্রবল কান্নার শব্দ ওর চারপাশ ঘোলাটে করে দেয়। শহর বুঝে যায় ওর সামনে দুঃসময় ঘনিয়েছে। আবার একটি করুণ গল্প নিজের বুকের মধ্যে টানতে হবে। মৃদু বাতাসের ধাক্কা এসে লাগে ওর গায়ে। আস্তে করে বলে, বন্ধু।

—হ্যাঁ, আমি তো শুনতে পাচ্ছি। বন্ধু, তুই কি ওর কাছে যাবি? বলবি কি, বুবু, তুমি কেঁদো না। 

—না শহর, আমি যাব না। ও তো কাঁদবেই। ওকে থামানোর সাধ্য আমাদের নেই। ওই মায়ের কোল আজকে খালি হবেই। যে কিনবে সে তো ওর স্বামী দাউদকে ৫০০ টাকা দিয়েছে আগেই। আজকে বাকি দেড় হাজার টাকা দেবে। দরদামতো এমনই হয়েছিল।

—আমি তো জানি। ছেলে বিক্রি করে মাদক খাবে ও। এমন পাপও আমার বুকের ওপর ঘুরে বেড়ায়।

—কয়দিন খাবে? যে কয়দিন ওই টাকায় কিনতে পারবে সেই কয়দিন খাবে। তারপর কী করবে? বউ বিক্রি করে দেবে? নাকি ডাকাতি করবে?

—এসবই হবে। তাহলে বলো মন ভালো রাখার সাধ্য কি আমাদের আছে? আমরা নষ্ট মানুষদের হাতে নিরুপায়।

—কখনো তোর বুকে-পিঠে আনন্দের জোয়ার আসে শহর। তখন তোর ভালো লাগে না?

—যতটুকু ভালো লাগলে মন খারাপ কেটে যায়, ততটুকু ভালো লাগে না রে বাতাস। আমার বয়স হয়ে গেছে। এখন অনেক কিছুই সইতে পারি না। নিজের গায়ে আনন্দও লাগাতে পারি না রে।

—যাক এসব কথা। তুমি  আমাকে বুবুর গল্প বলো। আমরা দুজনে আজকে বুবুর কথা বলে নিজেদের মন আরো খারাপ করব। খারাপ হওয়া মন নিয়ে বুবুর কাছে যাব। বলব, বুবু,  আমরা এসেছি। আমরা তোমার কাছে থাকতে চাই। তোমার ছেলে হারানোর দুঃখ ভুলিয়ে দিতে চাই। কী বল, শহর?

—একজন মায়ের দুঃখ কি এভাবে কমবে? বাতাস, আমাদের অনেক কিছু জানতে হবে; বরং মানুষের নিষ্ঠুরতা আমাদের দূর করা উচিত।

—শহর দেখো, ছেলেটাকে বুকে জড়িয়ে মা দাঁড়িয়ে আছে। খোলামেলা মাঠ চারদিকে। অনেক দূরে দু-একটা দালানকোঠা আছে। দেড় বছরের ছেলেটার গায়ে লাল রঙের ফতুয়া দেখা যাচ্ছে। মা পরে আছেন নীল-সবুজ রঙের ডুরে শাড়ি।

আমি সবই দেখতে পাচ্ছি বাতাস। তবু তোর সঙ্গে শেয়ার করলাম।

—আমাদের বন্ধুত্ব এমনই। আমরা একজনের কথা আরেকজন বলতে পারি। আমাদের মধ্যে কোনো ফাঁক নেই।

—একটু ফাঁক আছে রে শহর।

—ফাঁক? তুই কিভাবে ফাঁক দেখিস? আমি তো দেখি না। বল দেখি?

—তুই সব সময় বিষণ্ন হয়ে থাকিস। আনন্দ উপভোগ করিস না। ফাঁক এখানে। আমি দুটোই করি। বিষণ্ন হলে তা কাটিয়ে উঠি। যে মায়ের কোল খালি হয় তার জন্য কষ্ট আছে, কিন্তু আনন্দও আছে।

—আনন্দ? আনন্দ কোথায় পেলি।

—আনন্দ এ জন্য যে শিশুটি পথশিশু হবে না। যে মহিলা শিশুটিকে টাকা দিয়ে নিয়েছেন, তিনি বলেছেন, শিশুটির বাবা এমন একটি ঘটনা ঘটাবে জানতে পেরে তাঁর খুব মায়া লেগেছে। সে জন্য তিনি শিশুটিকে টাকা দিয়ে নিয়েছেন। তাঁর নিজের তিনটি ছেলে-মেয়ে আছে। ও বড় হলে ওকে তিনি স্কুলে পাঠাবেন। পড়ালেখা শিখিয়ে বড় করবেন।

—তোমার আরেকটা আনন্দ আছে বাতাস।

—কোনটা, বল তো।

—যিনি বাচ্চাটিকে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁর কাছে আমাদের সুফিয়া যেতে পারবেন। তিনি বলেছেন, ওর মায়ের যখন ওকে দেখার ইচ্ছা হবে তখন আসতে পারবেন। তবে আমি দূরে থাকি তো, সে জন্য ভাবতে পারছি না যে তিনি কতটা যোগাযোগ রাখতে পারবেন। এটাও আনন্দের খবর রে বাতাস—

—হ্যাঁ, ঠিক। মায়ের সঙ্গে ছেলের যোগাযোগ থাকবে এটা অনেক আনন্দের কথা। কোল খালি হবে, কিন্তু হৃদয় খালি হবে না রে শহর।

—ঠিক বলেছিস। তাহলে এই আনন্দ তোর মধ্যে থাকুক।

—আনন্দ আমরা ভাগাভাগি করে নিই?

—না। আমার এত আনন্দ নেই। ছেলেটি বাবার আদর-যত্ন-ভালোবাসা পাবে না কেন? পেট ভরে ভাত দিতে না পারুক, ভালোবাসা তো দেবে। দুহাতে বুকের ভেতর টেনে নিয়ে কপালে চুমু দিয়ে বলবে, সোনামানিক আমার, আমাদের আদরের ধন, চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা—

হা-হা করে হাসে বাতাস।

—তুই খুব সুন্দর করে বললি শহর।

শহর কোনো উত্তর দেয় না। বুঝতে পারে কান্নার শব্দ কমে আসছে। হেঁচকি উঠছে। একটুক্ষণ নিজেকে সামলে নিয়ে বলে, তোকে আমি দেড় বছর কোলে রেখেছি সোনা। তুই মা ডাকতে শিখেছিস। তুই যারে খুশি তাকে মা ডাকিস। শুধু মনে রাখিস, আমি তোর মা। বাকিরা ডাকার জন্য ডাকা মা।

বাতাস আর শহর স্তব্ধ হয়ে থেকে মায়ের কথা শোনে। চারদিকে মায়েরই কণ্ঠস্বর। নিজেকে ছাড়িয়ে কথা ছুটিয়ে দেয় চারদিকে। বলে, তুই হওয়ার সময় আমার খুব কষ্ট হয়েছিল রে গাব্বু পোলা। শরীরে বল ছিল না। এখন তুই আবার আমারে কষ্টে ফেললি। আমার দিন তো কাটবে না রে পোলা। আমারে থুয়ে তুই পরের ঘরে দিন কাটাবি।

মা ছেলেটাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। ছেলেটি মায়ের বুকে মুখ রেখে কাঁদতে শুরু করে। মা ওকে ঘাড়ে-কোলে-হাতে রেখে দোলায়। ছেলেটি হাত-পা ছোড়ে। কান্নার শব্দ বেড়ে যায়। মা তার ডুরে শাড়ির আঁচল দিয়ে ছেলের চোখ মুছে দেন। কিন্তু কান্না থামে না। মা ঘাসের ওপর বসে পড়েন।

বাতাস বলে, আমাদের বুবুর ডুরে শাড়ির রং ঘাসের সঙ্গে মিশে গেছে।

—হ্যাঁ, বুবুকে খুব সুন্দর লাগছে।

থেমে যায় কান্নার শব্দ। ভেসে আসে কণ্ঠস্বর।

—হ্যাঁ, আমি ডুরে শাড়ি পরতে ভালোবাসি। আমার নাম সুফিয়া খাতুন। আপনারা আমাকে সুফিয়া বুবু বলেন। শুধু বুবু শুনতে ভালো লাগে না।

—ঠিক বলেছেন। নামই তো আপনার পরিচয়। নাম ছাড়া ডাকলে পরিচয় আড়াল হয়ে যায়।

—আপনি কেমন আছেন সুফিয়া বুবু?

—আপনারা তো জানেন কেমন আছি। আমি এখন মরণদশায় আছি। বলেন নাই?

—হ্যাঁ, আপনি খারাপ অবস্থায় আছেন আমরা তা জানি। আপনি তো বিয়ের পর থেকেই খারাপ আছেন।

—আপনি ডুরে শাড়ি পরেছেন। আপনাকে দেখতে আমাদের ভালো লাগছে।

—আমি অনেক রঙের শাড়ি পরতে ভালোবাসি। নিজের টাকায় শাড়ি কিনি। ইট ভাঙার কাজ করি, বাড়িতে কাজ করি। রাস্তার পাতা কুড়াই। আমার শাড়ি লাগে। কাজে যাওয়ার শাড়ি। শাড়ি কিনার জন্য কোনো দিন স্বামীর কাছে টাকা চাইনি। কখন আমি শাড়ি কিনি, সেটা সে জানেও না। আমার নতুন শাড়ি দেখলে লোকটা আমাকে মারে। ওই টাকা ও নেশা করার জন্য চায়। বলে, শাড়ি কিনিস কেন হারামজাদি? শাড়ি কেনার এত নেশা কেন? আমি বলি তোমার মতো আমার নেশা নাই। শাড়ি আমার দরকার। তখন আমার দিকে হাত উঁচু করে তেড়ে আসে। বলে, মারব থাপ্পড়। আমি কয়েক পা পেছনে গিয়ে চিল্লাচিল্লি করি। বলি, শাড়ি না কিনে আমি কি ল্যাংটা থাকব? বলে, হ্যাঁ ল্যাংটা থাকবি খানকি মাগি। ৯ বছর ধরে সংসার করি। লোকটার কাছ থেকে কোনো আদর-সোহাগ পাইলাম না। এখন ছেলেটার ওপর হাত দিল। আমার বাঁচার দিন শ্যাষ।

বাতাস বলে, সুফিয়া বুবু, আপনার তো আরো তিনটি ছেলে-মেয়ে আছে। ওদের জন্য বাঁচার দিন জমিয়ে রাখেন। আপনার দিন শেষ হলে ওরা কার হাত ধরবে?

স্তব্ধ হয়ে থাকে সুফিয়া খাতুন। হ্যাঁ, তাই তো! ঠিক কথা। এদের জন্য তো তাকে বাঁচতে হবে। চোখের জল দরদরিয়ে গড়ায়। একসময় ছেলেকে বুকে নিয়ে হাঁটতে থাকলে কান্নার দমকে কাঁপতে থাকে শরীর। কান্নার শব্দ উড়ে বেড়ায় বাতাসে। উড়তে থাকে শহরের ওপরে। ছড়ায় বাড়িঘরের দেয়ালে, গাছের আগাপাছতলায়, জমে থাকা পানিতে, খালে, নর্দমায়—সবখানে। বাতাস আর সময় শুনতে পায় ওর স্বামীর ধমক—থাম বেশ্যা মাগি। আমি একটু নেশা করব তা তোর সয় না। এমন হারামি মাইয়ামানুষ আমি দুনিয়ায় দেখি নাই।

—আমি তো তোমাকে কিছু কই নাই। আমি আমার পোলার লাগি কান্দি। আমারে কানতেও দিবা না?

—না, কাঁদবি না। কাঁদলে আমার ঘরে থাকতে পারবি না।

—এমুন কথা তো আমারে হাজার হাজারবার কইছ। আর কত কইবা? তুমি জানো আমার বাইর হইয়া যাওয়ার জায়গা নাই। নতুন কথা কিছু থাকলে কও, সেইটা শুনি।

—নতুন কথা শুনাইলাম। নতুন কাজও করলাম। পোলা বেইচা নেশা করুম। এত নতুন কিছু তোর চোখে লাগে না?

সুফিয়া খাতুন কথা না বলে চোখ মোছে। এত নতুনের সঙ্গে তো দৌড়ের পাল্লা হয় না। এত নতুনের জন্য মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে হয়। বিয়ের পর থেকে যেটুকু রোজগার করতে দেখেছে তার অর্ধেক টাকা ঘরে দেয়নি। সংসারের জন্য তেমন টান ছিল না দাউদের। ঘরে ফিরেছে নিজের জন্য। ভাত খাওয়া আর ঘুমানোর জন্য যে জায়গার দরকার তার জন্যই তো ঘরে ফিরেছে। এটাও সুফিয়া খাতুনের নতুন দেখা। চারটা পোলাপান হয়েছে, এর মধ্যে নতুন কিছু নাই। এই পুরনো দড়ির টান ছিঁড়তে পারে না সুফিয়া খাতুন। সে জন্য ঘর থেকে বের হয়ে নতুন কিছু আর দেখতে চায় না। নিজে আয় করার জন্য পথে নেমেছে। সেই আয় দিয়ে ভাত খেয়েছে। হায় রে সংসার।

দাউদ কটকটিয়ে বলে, চুপ মাইরা গেলি যে? পোলা রে আমার কাছে দে। আমি ওরে লইয়া যামু।

বিয়ার পর থাইকা তো কত কিছু তোমারে দিলাম। হাঁড়ি-পাতিল দিলাম। তুমি বেচলা। চৌকি-আলনা দিলাম। বেচলা। বেইচা বেইচা সংসারটারে ফতুর করলা। পোলাডারে স্কুলে ভর্তি করাইলাম। বাপের নেশার টাকা জোগাইতে পোলাডার স্কুল ছুইটা গেল। এখন ঘরেও মাল-সামান নাই।

—তুই তো জানস, তোরে বিয়া করার আগে থাইকা আমি নেশা করি। তোরে যা পছন্দ করি, তার চাইতে নেশা আমার বেশি পিরিতের জায়গা। তুই আমার লগে প্যানপ্যান করবি না।

—প্যানপ্যান কইরলাম কই? যা চাইছ তা মাইনা নিছি।

—কান্দস ক্যান? কান্দনের কী হইল?

—আমার কইলজায় কামড় পড়ছে, এর লাইগা কান্দি।

—একটার লাইগা কামড় পড়ব ক্যান? আরো তো তিনডা আছে। একটার লাইগা কইলজা কি আলাদা রাখা লাগব?

—হ, লাগব। যার ভাগে যতটুকু পইড়ব হেইটুক কইলজা তার।

—মইরা গেলে কী হইত?

—বুঝতাম আল্লাহর কাছে গেছে।

—অহন বুঝ আল্লাহর বান্দার কাছে আছে।

—বাপ-মায় বাঁইচা থাকতে আল্লাহর বান্দার কাছে থাকব ক্যান? খবরদার, তুমি আমার লগে আর কথা কইবা না।

—ওরে শয়তান মাইয়ামানুষ। কথা কমুনা মুখ দিয়া, কথা কমু হাত দিয়া।

শুরু হয় মারপিট। শুকনা-পাতলা সুফিয়া খাতুন বড়সড় দাউদের সঙ্গে শক্তিতে কুলিয়ে উঠতে পারে না। মার খেয়ে শরীরে ব্যথা নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলিয়ে কত শত দিন ওর কেটেছে সে হিসাব ওর নিজের কাছেও নেই। বিয়ের রাতে ওকে জড়িয়ে ধরে দাউদ বলেছিল, তুই আমার ফুল রে বউ। ও নিজেও হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করেছিল, কী ফুল? দাউদ হাসতে হাসতে ঘর ভাসিয়ে দিয়ে বলেছিল, কচুরিপানা? ও ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে মন খারাপ করে বলেছিল, কচুরিপানা আবার একটা ফুল নাকি? গম্ভীর হয়ে গিয়েছিল দাউদ। সুফিয়া খাতুনের সমালোচনা সহ্য করতে পারেনি। বিয়ের রাত বলে গায়ে হাত তোলেনি। ধমকের স্বরে বলেছিল, তুই আমার কাছে নতুন মানুষ। তোকে বলে রাখি শোন—আমি মানুষরে ভালোবাসি না। ভালোবাসি নেশা। নেশার লগে আমার প্রেম। বাকি সব কিছু আমার কাছে ভাগাড়।

—আমিও তোমার ভাগাড়ের ময়লা?

—তা ছাড়া আর কী।

আকস্মিক কান্নায় নিজেকে ডুবিয়েছিল সুফিয়া খাতুন। বিয়ের রাতটাই ভাগাড় হয়ে গিয়েছিল ওর চোখের সামনে।

 

চলবে ►►



মন্তব্য