kalerkantho


‘নারীর ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন’

মুন্নি আক্তার

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



‘নারীর ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন’

নারী দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় গণবিশ্ববিদ্যালয় শাখা শুভসংঘের বন্ধুরা

১৯৮৫ সালে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথমবার দিবসটি পালন করা হয়। এবার নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল—‘পরিবর্তন আনব, দৃঢ় থাকব’।

জাতীয় উন্নয়নে এখন পুরুষের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের নারীরা। ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে নারীর ক্ষমতায়নে সবাইকে জাগ্রত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘ গণবিশ্ববিদ্যালয় শাখার বন্ধুরা। নারী দিবস উপলক্ষে তাঁরা আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিলেন। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু করে শুভ চত্বর হয়ে মূল ফটকের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো.  দেলোয়ার হোসেন, ভৌত ও গাণিতিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাসিন অনুপমা আজহারি, ফিজিওথেরাপি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শাহরানরাজ পালানিভেলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শুভসংঘের বন্ধুরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ক্লাবের বন্ধুরাও এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে মূল ফটকে আয়োজিত মুক্তমত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ড. হাসিন অনুপমা আজহারি বলেন, ‘উন্নত বিশ্ব ও বাংলাদেশের নারীদের অবস্থার মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে।

এ দেশের নারীসমাজ আজও অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। কোনো না কোনোভাবে তাদের অগ্রযাত্রার পথে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের সবাইকে এই বাধা-বিপত্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। ’

মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নারী-পুরুষের পার্থক্য দূর করতে নারীদেরও তাদের দাবি আদায়ে সচেতন হতে হবে এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে হবে। ’

শুভসংঘের ভারপ্রাপ্ত প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুন্নি আক্তার  বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন, মানবতার উন্নয়ন’—এই বিশ্বাস মনে-প্রাণে ধারণ করে নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে সবার একযোগে কাজ করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে নারীর জন্য বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত সমাজ। তবেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব।


মন্তব্য