kalerkantho


শুভ উদ্যোগ

ক্লিন তুরাগ সেভ তুরাগ

শাহজিয়া শাহরিন আণিকা   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



শীত মৌসুম চলছে। প্রতিনিয়ত কমছে তুরাগ নদের পানি।

অবৈধ দখলদাররা হয়ে উঠছে বেপরোয়া। প্রকাশ্যে চলছে দূষণ ও দখলযজ্ঞ। দখলদারচক্রের ধারাবাহিক দখলে কান্না থামছে না তুরাগের। নদটির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে একসময়কার প্রবহমান এই নদ। কহর দরিয়া খ্যাত তুরাগের বুকে তৈরি করা হচ্ছে পাকা দেয়াল ও নানা ধরনের অস্থায়ী স্থাপনা। সম্প্রতি কালের কণ্ঠ শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখা ও বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল তুরাগ শাখা সরেজমিনে তুরাগ নদের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করে। গাজীপুরের কড্ডা, কাশিমপুর, জরুন, কারখানা বাজার, বাঘিয়া, শাকাস্বর ও মির্জাপুর বাজারের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করে তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন, র‌্যাব-১-এর (গাজীপুর ) কম্পানি কমান্ডার মো. মহিউল ইসলাম, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের নদী পরিব্রাজক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. আলী হোসেন, কালের কণ্ঠ শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি মাঈনুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী সদস্য গোলাম মোস্তফা খান, নদী পরিব্রাজাক দল গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি মোস্তফা আযাদ ও সাধারণ সম্পাদক মতিঊল আলম, তুরাগ শাখার সভাপতি আব্দুল মালেক ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মাসুদ রানা।

এ ছাড়া কালের কণ্ঠ শুভসংঘ ও নদী পরিব্রাজক দল তুরাগ শাখার অর্ধশতাধিক নদী উন্নয়নকর্মী ও নদীবন্ধু উপস্থিত ছিলেন।

মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘তুরাগ নদের দূষণ ও দখলের এ চিত্র অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা নদী কমিশনের পক্ষ থেকে এর প্রতিকারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। নদীর দখলদার ও দূষণকারী কেউ রেহাই পাবে না। ’

মহিউল ইসলাম বলেন, ‘সভ্যতা, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের ধারক এ নদকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে দেশের মানচিত্র থেকে একসময় তুরাগ হারিয়ে যাবে। ’

মো. মনির হোসেন বলেন, ‘নদী বাঁচলে আমাদের পরিবেশ বাঁচবে। তুরাগ নদের সমস্যা চিহ্নিত। দখলদার ও দূষণকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিও চিহ্নিত। এখন শুধু তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পালা। আর এ ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক আন্তরিকতা। ’


মন্তব্য