kalerkantho


নারীর ক্ষমতায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান

আসিফ আল আজাদ   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নারীর ক্ষমতায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান

‘এ বিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’—জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। জাতীয় উন্নয়নে এখন পুরুষের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের নারীরা। ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে নারীর ক্ষমতায়নে সবাইকে জাগ্রত থাকার আহ্বান জানিয়ে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ গণবিশ্ববিদ্যালয় শাখার বন্ধুরা আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু করে বকুলতলা হয়ে মূল ফটকের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে মূল ফটকে  আয়োজিত মুক্তমত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। আলোচনায় ভৌত ও গাণিতিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাসিন অনুপমা আজহারি বলেন, ‘মূলত ১৯৭৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্যাপিত হলেও উন্নত বিশ্ব ও বাংলাদেশের নারীর অবস্থার মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। এ দেশের নারীসমাজ আজও সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের মূলত এগোতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনো না কোনোভাবে তাদের অগ্রযাত্রার পথে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ’

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্তজা আলী বলেন, ‘নারী-পুরুষের এই পার্থক্য দূর করতে নারীদেরও তাদের দাবি আদায়ে সচেতন হতে হবে এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে হবে। ’

শুভসংঘের নারীবিষয়ক সম্পাদক কাকলী আজাদ বলেন, ‘লিঙ্গসমতা সূচকে এ দেশের নারীদের অবস্থান এখন পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের নারীদের তুলনায় উন্নত হয়েছে। কিন্তু অধিকারের সম্পূর্ণ সমতা আসেনি। চাকরির ক্ষেত্রে নারী সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত; নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের মধ্যে নারী পুরুষের চেয়ে কম মজুরি পায়। যা একজন নারী হিসেবে আমি কখনোই মেনে নিতে পারি না। সমাজের এসব অসংগতি দূর করতে হলে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। ’

মুক্ত আলোচনায় আরো বক্তব্য দেন ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মুনজিবা শামস, কম্পিউটার সায়েন্সের বিভাগীয় প্রধান তানিয়া আক্তার, কনক চন্দ্র পাল, কুমারেশ চন্দ্র পাল প্রমুখ।


মন্তব্য