kalerkantho


নবীগঞ্জে মাদরাসার জমি আত্মসাৎচেষ্টা

প্রতিবাদে মানববন্ধন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



পুলিশের সাবেক ট্রাফিক পরিদর্শক দেওয়ান জাহিদ আহমদ চৌধুরী একটি হাফিজিয়া মাদরাসার জমি আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। এ নিয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা গ্রামবাসী গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মানববন্ধন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৩ সালে পানিউমদা গাউছিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান। পানিউমদা, বড়কান্দি ও কুর্শা গ্রামের লোকজন এবং প্রবাসীরা মিলে এই মাদরাসা পরিচালনা করে। গ্রামবাসীর দাবি ছিল, যদি কবরস্থানের পাশে হাফিজিয়া মাদরাসা হয় তাহলে সেখানে কোরআন তেলাওয়াত হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামের আব্দুল বাছির ও খলিল মিয়াকে বুঝিয়ে তাঁদের বাড়ির ২৭ শতাংশ জমি কেনা হয়। আব্দুল বাছির ও খলিল মিয়া সওয়াবের আশায় জমি বিক্রি করে অন্যত্র বাড়ি করেন। কিন্তু মাদরাসার সভাপতি দেওয়ান জাহিদ ওই জমি সার্ভে ট্রাইবু্যুনালে তাঁর স্ত্রী সৈয়দা বদরুন্নেছার নামে রেকর্ড করেন। এখন বিক্রির পাঁয়তারা করছেন। ট্রাইব্যুনালের মামলায় বিবাদী ছিলেন তিনি এবং বাদী ছিলেন তাঁর স্ত্রী। মামলায় মাদরাসার কথা উল্লেখ করা হয়নি। এ খবর জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। মাদরাসার সামনে মানববন্ধন করে।

পানিউমদা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আরজত আলী জানান, মাদরাসায় অর্ধশতাধিক ছাত্র আছে। প্রতিবছর চার-পাঁচজনকে পাগড়ি দেওয়া হয়। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনজনকে পাগড়ি দেওয়া হবে। এরই মধ্যে খবর আসে মাদরাসার জমি দখল ও বিক্রির পাঁয়তারা করছেন জাহিদ। তাঁরা যেকোনো মূল্যে মাদরাসা রক্ষা করবেন।

গ্রামের গ্রিসপ্রবাসী আব্দুল হাই বলেন, ‘আমরা ১০ বছর আগে মাদরাসার জন্য ৭০ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলাম। এখন বলা হচ্ছে মাদরাসা নেই।’

মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ সামছুর রহমান জানান, তিনি এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। এই মাদরাসা এলাকার ঐতিহ্য। মাদরাসা রক্ষার দাবি জানান তিনি।


মন্তব্য