kalerkantho


সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ

কমল সেশন ফির ৮৫০ টাকা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফি ৮৫০ টাকা আদায় করবে না। এই খাত থেকে এরই মধ্যে ৩৫ লাখ টাকা আদায় করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনীয় খাতে টাকা না নেওয়ার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলনকারী নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষকরা। পরে একাডেমিক কাউন্সিলে কমানোর সিদ্ধান্ত নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হয়।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতি বছর সেশন ফির নামে ছাত্র সংসদ, রেড ক্রিসেন্ট, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ফি, পরিবহন, চিকিৎসাসহ নানা অপ্রয়োজনীয় খাত দেখিয়ে টাকা আদায় করত কলেজ। খাতগুলোর কার্যক্রম না থাকার পরও সেশন ফির সঙ্গে এই টাকা নেওয়া হতো। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছে। গত বছর এ দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নানা কর্মসূচি পালন করে। অবরোধ, ছাত্র ধর্মঘট, পরীক্ষা বর্জনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে তারা। তা ছাড়া হাওরের ফসলহানির পর এই আন্দোলনে বিশিষ্টজনরা সংহতি জানিয়েছিলেন। এসব আন্দোলনের পর গতকাল অপ্রয়োজনীয় খাত থেকে প্রায় ৮৫০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় একাডেমিক কাউন্সিল। এখন সেশন ফি দুই হাজার ৬০০ টাকার বদলে এক হাজার ৮৫০ টাকা আদায় করা হবে।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারী ছাত্র নেতা দ্বিপাল ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপ্রয়োজনীয় খাত থেকে টাকা না নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলাম।’

কলেজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমরা একাডেমিক কাউন্সিলে এখতিয়ারবহির্ভূত খাত থেকে টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছি। তবে যে খাতগুলো সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেগুলো থেকে কমানোর সুযোগ নেই।’

কটূক্তিকারী পিআইওর অপসারণ দাবি

‘দোয়ারাবাজারবাসী নটি (দুষ্ট) আর ছাতকবাসী সন্ত্রাস (সন্ত্রাসী)’ মন্তব্য করায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পিআইও এম এ করিম গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি কটূক্তি করেন। তাঁর এ কথার তাত্ক্ষণিক প্রতিবাদ জানান উপস্থিত        সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য আবুল কালাম এবং নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম। এ দুজন সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মুহিবুর রহমান মানিকের দেওয়া দুটি প্রকল্পের সর্বশেষ খবর জানতে আসেন। কথা বলার সময় হঠাৎ কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হন। তিনি ‘দোয়ারা ও ছাতকবাসীকে নিয়ে এমপি কিভাবে চলে’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর এমন আচরণে উপস্থিত এলাকাবাসী প্রতিবাদ করে। এতে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।



মন্তব্য