kalerkantho


রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান

১৫ দিনে ২০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



কাপ্তাই ও রাঙামাটি সড়কের রাঙ্গুনিয়া অংশে সড়কের ফুটপাত দখল করে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে অভিযান চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। গত ১৫ দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নির্বাহী হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান কাপ্তাই ও রাঙামাটি সড়কের

রাঙ্গুনিয়া অংশের আট স্থানে ২০০ অবৈধ কাঁচা ও পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন। ভেঙে দিয়েছেন অন্তত ৬০টি সাইনবোর্ড।

সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের লিচুবাগান, মরিয়মনগর চৌমুহনী ও রোয়াজারহাট এলাকায় নির্মিত ও নির্মাণাধীন ৪০ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় ৭টি দোকানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গত ১৫ দিনে কাপ্তাই সড়কের শান্তিরহাট, ইছাখালী, গোডাউন, রোয়াজারহাট, মরিয়মনগর চৌমুহনী, চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান বাসস্টেশন, রাঙামাটি সড়কের রাজা নগর ও ইসলামপুর ইউনিয়নে ২০০টি নির্মাণাধীন, ফুটপাত দখল করা কাঁচা ও পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। আদালতকে সহযোগিতা করেন নির্বাহী হাকিম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পূর্বিতা চাকমা ও রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।

ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘সড়ক দখল করে দোকানের মালামাল বিক্রি করার দায়ে হাইওয়ে আইনে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগানে মো. ফজলুর রহমান, মো. হাছান ও মো. লোকমানকে ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা, মো. ইউনুছ, মো. এনাম ও মো. ফরিদকে ১০ হাজার টাকা করে ৩০ হাজার টাকা এবং মরিয়মনগর চৌমুহনী এলাকায় মো. বাদশা নামে এক দোকানদারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সড়কে যানজটের মূল কারণ হচ্ছে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান ও স্থাপনা। এসবের কারণে সড়কে শৃঙ্খলা নেই। জনকল্যাণে প্রতিটি সড়কের ফুটপাত দখল করে নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’



মন্তব্য