kalerkantho


রোয়াংছড়িতে কিশোরের হাতে মামা খুন

বাঁশখালীতে গৃহবধূকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান ও বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বাঁশখালীর গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম গন্ডামারা গ্রামে রবিবার ভোররাতে নুর বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ খুন হয়েছেন। অটোরিকশাচালক স্বামী মো. বেলালের পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে খুন হন তিনি। স্বামী বেলালকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রবাসীর স্ত্রী ফরিদা বেগম পালিয়ে গেছেন।

পুলিশ জানায়, বেলাল উদ্দিনের সাথে নুর বেগমের বিয়ে হয় ১২ বছর আগে। তাঁদের পাঁচ সন্তান রয়েছে। বেলাল পেশায় অটোরিকশাচালক। সম্প্রতি বাড়ির অদূরে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন বেলাল। রবিবার ভোররাত ৪টায় একই কায়দায় বেলাল ঘর থেকে বের হলে স্ত্রী নুর বেগম স্বামীর পিছু নেন। নুর বেগমকে না পেয়ে তাঁর সন্তানরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেয়। প্রতিবেশীরা নুর বেগম স্বামীর পিছু নেওয়ার কথা জানতে পেরে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে সন্ধান করে। ভোর ৫টায় প্রতিবেশীরা দেখেন ওই ঘরে নুর বেগমের জখমপ্রাপ্ত লাশ।

বাঁশখালী থানার ওসি মো. কামাল হোসাইন বলেন, ‘পরকীয়া প্রেমের কারণে নুরু বেগম খুন হয়েছেন।’

বান্দরবান : রোয়াংছড়ি উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনায় কিশোর ভাগিনার লাকড়ির আঘাতে মামা খুন হয়েছেন। রবিবার রাতে উপজেলার ম্রক্ষ্যংপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার অভিযোগে পুলিশ ক্যাসিং অং (১৪) নামে ওই কিশোরকে আটক করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিংনুমং মারমা ও তাঁর স্ত্রী চিংম্রাস্বং মারমার মধ্যে

বাকবিতণ্ডার শব্দ শুনে সিংনুমং-এর বড় বোন হ্লামেচিং মারমা (৩৩) ঘটনাস্থলে এসে স্বামী-স্ত্রীকে ঝগড়া করতে নিষেধ করেন। কিন্তু তাঁর কথা না শোনায় তিনি ছোট ভাইকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট ভাই সিংনুমং মারমা বড় বোনকে পাল্টা আঘাত করেন। বড় বোন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ খবর জানতে পেরে হ্লামেচিং মারমার ছেলে উক্যসিং মারমা সেখানে উপস্থিত হয় এবং পাশে থাকা এক খণ্ড লাকড়ি হাতে নিয়ে মামাকে পেটাতে থাকে। এতে সিংনুমংও গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় লাকড়ি দিয়ে আঘাতকারী ভাগিনাকে প্রতিবেশীরা আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।

রোয়াংছড়ি থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি এসআই মাহাবুব আলম খান ও পিএসআই আরিফুর রহমানকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তাঁরা উক্যসিং মারমাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

এদিকে গুরুতর আহত বড় বোন ও ছোট ভাইকে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে সিংনুমং মারমার মৃত্যু ঘটে।



মন্তব্য