kalerkantho


‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

রাশেদুল তুষার, চট্টগ্রাম   

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কারণ চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান নির্বাচন করে আসছেন।

সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়ে গতকাল রবিবার নোমান ও খসরু দুজনই চট্টগ্রাম-১০ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে। তবে আমীর খসরু একই সঙ্গে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকেও মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে রবিবার মোট ২০ জন ২১ ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে এবং আওয়ামী লীগ থেকে নিয়েছেন ৪ জন।

চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসন থেকে সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার মীর

মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা অন্যরা হলেন চট্টগ্রাম-১ থেকে মো. মাহবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম-৯ থেকে শামসুল আলম, ডা. শাহাদাত হোসেন ও আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম-১২ থেকে এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৪ থেকে কাজী মোজাম্মেল হক ও চট্টগ্রাম-১৬ থেকে লেয়াকত আলী।

আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন চট্টগ্রাম-৭ থেকে ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ থেকে রেজাউল করিম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ থেকে ডা. আফসারুল আমীন ও মহিউদ্দিন বাচ্চু।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-৪ থেকে ইসলামী ফ্রন্টের মো. আশরাফ হোসেন এবং চট্টগ্রাম-১২ থেকে একই দলের এম এ মতিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

চট্টগ্রাম-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা মহিউদ্দিন রুহী, চট্টগ্রাম-৮ থেকে বিএনএফের এস এম ইকবাল হোসেন এবং চট্টগ্রাম-১০ থেকে বাসদের মো. মহিন উদ্দিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

এদিকে রবিবার রাত ১২টায় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার, প্রচারণা সামগ্রী নিজ দায়িত্বে অপসারণের সময় শেষ। আজ সোমবার থেকে ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন কর্মকর্তারা সরেজমিন নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে মাঠে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান।

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধির ক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা কড়া নজরদারি রাখবেন। এজন্য ইতোমধ্যে ২৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।’



মন্তব্য