kalerkantho


চট্টগ্রামে আয়কর মেলা

প্রথম দিন ৩১ কোটি টাকার কর আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চট্টগ্রামে আয়কর মেলার প্রথমদিন প্রায় ৩১ কোটি টাকার কর আদায় হয়েছে। আর আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে ৪ হাজার ২৮৬টি। নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে এ মেলা মঙ্গলবার সকালে শুরু হয়েছে। চলবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলার তথ্য ব্যবস্থাপনা উপকমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত কমিশনার মাহমুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথমদিনে বেশ সাড়া মিলেছে। ১৯ হাজারের বেশি আগ্রহী মানুষ কর সেবা নিয়েছেন। এর মধ্যে কর জমা দিয়েছেন ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর চট্টগ্রামের চারটি কর অঞ্চল ও একটি জরিপ অঞ্চল এবং বৃহৎ করদাতা ইউনিট মিলিয়ে রাজস্ব জমা পড়েছে ৩০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।’

তিনি জানান, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কর মেলা শুরু হবে আজ বুধবার। ফলে সেখানকার রাজস্ব আয়ের তথ্য এখানে যোগ হয়নি। আজ থেকে সেই অঞ্চলের করও জমা পড়বে।

মেলা আয়োজকরা জানান, প্রথমদিনেই ২১৪ জন নতুন করদাতা ইটিআইএন নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি কর জমা পড়েছে কর অঞ্চল-১ এ ১ হাজার ৮৮০ জন। আর সবচেয়ে বেশি রাজস্বও জমা পড়েছে এই কর অঞ্চলে ৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের প্রথমদিনেও আয়কর জমা পড়েছিল ৩০ কোটি ৭৩ লাখ আর রিটার্ন জমা পড়েছিল ২ হাজার ৮৯৫টি। নতুন টিআইএন নিয়েছিল ১৯০ জন। সেই তুলনায় এবার কর মেলার প্রথমদিনে কর জমা হুবহু একই থাকলেও রিটার্ন ও ইটিআইএন এবং সেবাগ্রহীতা বেশি ছিল। মেলা আয়োজকরা বলছেন, সময় যত গড়াবে কর জমার পরিমাণ তত বেশি বাড়বে।

মেলার প্রথমদিনেই কর দিতে এসেছেন তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান টেকভ্যালি নেটওয়ার্কের সহকারী ব্যবস্থাপক রাশেদুল আলম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছরের অভিজ্ঞতায় ভিড় এড়াতেই প্রথমদিনে কর দিতে এসেছি। ফাইল পূরণের পর কর অঞ্চল ১ এর সার্কেল ১৪-তে জমা দিতে কিছুটা বাড়তি সময় লেগেছে। কারণ সেখানে লোকবল সংকট ছিল। এর পরও ৩০ মিনিটেই সব কাজ সম্পন্ন করতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে।’

কর মেলায় ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিস্ট্রেশন, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল (আইডি ও পাসওয়ার্ড), বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিএ), কেন্দ্রীয় জরিপ অঞ্চল,

সিনিয়র সিটিজেন ও প্রতিবন্ধী করদাতা, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর), উৎসে কর্তিত কর (টিডিএস), কর আপিল অঞ্চল, চট্টগ্রাম চেম্বার, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট, জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর, কর শিক্ষণ ফোরামের বুথ রয়েছে। আর রাজস্ব জমা দেওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংক ছাড়াও জনতা ব্যাংক, বেসিক ব্যাংকের বুথ রাখা হয়েছে।



মন্তব্য