kalerkantho


পটিয়ায় নৌকার ‘মাঝি’ হতে চান বাবা-ছেলে

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



পটিয়ায় নৌকার ‘মাঝি’ হতে চান বাবা-ছেলে

সামশুল হক চৌধুরী ও তাঁর ছেলে নাজমুল হক চৌধুরী শারুন

চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া সংসদীয় আসনে বাবা-ছেলে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন এবং জমাও দিয়েছেন। তাঁরা হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ উপকমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য নাজমুল হক চৌধুরী শারুন।

চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের মহাসচিব ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সামশুল হক চৌধুরী। এবারও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র দলের ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। কিন্তু এবার তাঁর ছেলে নাজমুল হক চৌধুরী শারুনও মনোনয়নপত্র নেন। এরই মধ্যে তিনি জমাও দিয়েছেন।

জানতে চাইলে নাজমুল হক চৌধুরী শারুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং জমাও দিয়েছি। আওয়ামী লীগ এখন আগের চেয়ে অনেক সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল। একমাত্র আওয়ামী লীগই পারবে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি এগিয়ে নিতে। তাই আমাদের এখন লক্ষ্য একটাই আওয়ামী লীগকেই পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনা। তাই মনোনয়ন বড় কথা নয় শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা পটিয়ায় দুই বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে পটিয়ায় ব্যাপক উন্নয়নকাজ করেছেন। তিনি দলের সফল সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন চেয়েছেন। আমিও দলের একজন কর্মী হিসেবে মনোনয়ন চেয়েছি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাঁকে নৌকা দেবেন, প্রয়োজনে দলের বৃহত্তর স্বার্থে তাঁর পক্ষেই কাজ করব।’

সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল। যে কেউ এ দল থেকে মনোনয়ন চাইতেই পারেন। পটিয়ায়ও অনেকে মনোনয়ন চেয়েছেন। এতে আমি চিন্তিত নই। কারণ বিগত ১০ বছর পটিয়ার উন্নয়নে নিরলস কাজ করেছি। আশাকরি আওয়ামী লীগ একটি জনসম্পৃক্ত দল হিসেবে জনগণের সাথে সম্পৃক্ত মনোনয়নপ্রত্যাশীকে মনোনয়ন দেবে।’

এদিকে পটিয়ায় আওয়ামী লীগ থেকে আরো মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক নারী আসনের সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম সামশুজ্জমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবদুর রশীদ, সেলিম নবী, মো. ঈসমাইল প্রমুখ।



মন্তব্য