kalerkantho


চকরিয়া-পেকুয়া

৫ সড়কে পরিবহন ধর্মঘটে দুর্ভোগ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



কতিপয় শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে অব্যাহত চাঁদাবাজি, শ্রমিকদের মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় গতকাল বুধবার পূর্বঘোষিত সকাল-সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘট পালিত হয়েছে কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া-মগনামাসহ চকরিয়া-পেকুয়ার পাঁচ সড়কে। এতে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিন চাকার যানবাহন না চলায় চরম দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রী-সাধারণ। অবশ্য বিকল্প পথে অনেককে পেকুয়া থেকে চকরিয়াসহ বিভিন্নস্থানে এবং পেকুয়া সদরে যাতায়াত করতেও দেখা যায়।

পেকুয়া রোড সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. বারেক বলেন, ‘পূর্বঘোষিত পরিবহন ধর্মঘট নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিন চাকার কোনো যানবাহন সড়কে নামাননি।’

শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী এক যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে গতকাল পরিবহন ধর্মঘট চলাকালে পেকুয়া সদরের চৌমুহনীতে গণ্ডগোল বাঁধানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাও নস্যাৎ হয়ে যায়।

বুধবার পরিবহন ধর্মঘট সফল করতে শ্রমিকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন কক্সবাজার জেলা অটোরিকশা-টেম্পু পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ ছিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক ছিদ্দিক আহমদ, দপ্তর সম্পাদক নুরুল হক।

তাঁরা কালের কণ্ঠকে বলেন, কতিপয় শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে যাঁরা চাঁদাবাজি ও প্রকৃত শ্রমিকদের ওপর হামলাসহ হয়রানি করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে অনেক অনুরোধ করার পরও কোনো কাজ হয়নি। তাই প্রাথমিকভাবে আমরা একদিনের সকাল-সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলাম। সেই কর্মসূচি সফল হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো তত্পরতা এখনো পরিলক্ষিত না হওয়ায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। তাই পরবর্তী করণীয় নিয়ে সমিতির কার্যালয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে জরুরি বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


মন্তব্য