kalerkantho


সড়কে ঝরল স্কুলছাত্রীসহ তিন প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর বায়েজিদ, পূর্ব মাদারবাড়ি এবং হাটহাজারীর বড় দিঘিরপাড় এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নগরীর সদরঘাট থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) আবু মুছা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব মাদারবাড়ি জামে মসজিদের সামনের সড়কে ট্রাকচাপায় মারা যান মোহন (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব মাদারবাড়ি সেবক কলোনির বাসা থেকে বের হয়ে সড়ক পার হচ্ছিলেন মোহন। এ সময় মাঝিরঘাট থেকে আইস ফ্যাক্টরি সড়কের দিকে আসা পণ্য বোঝাই একটি ট্রাক তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। মোহন পূর্ব মাদারবাড়ি সেবক কলোনির বাসিন্দা। তিনি পেশায় সেবক (মেথর)।

দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। তবে ট্রাকটি আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান এসআই মুছা।

এদিকে নগরীর বায়েজিদ থানার শেরশাহ এলাকায় বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মো. মহিউদ্দিন (৩০)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ওই অটোরিকশার যাত্রী নাজিম উদ্দিন (৫০)। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শেরশাহ গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি পালিয়ে গেছে।

নিহত মহিউদ্দিন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ভাসানচর গ্রামের হাজী ওমর আলী বেপারি বাড়ির সাফাজ বেপারির ছেলে। তিনি নগরীর হালিশহরের আব্বাসপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর শেরশাহ এলাকায় সিটি বাস সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় চালক মহিউদ্দিন ও যাত্রী নাজিমকে হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মহিউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। নাজিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বজনরা তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

হাটহাজারী থানার এসআই মো. জলিল জানান, গতকাল দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল সাদিয়া আক্তার ঊর্মি (৭)। হাটহাজারী থেকে অক্সিজেনের দিকে আসা একটি ট্রাকের চাকা খুলে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ঊর্মিকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঊর্মিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঊর্মি দক্ষিণ ফতেয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। সে ওই এলাকার আমান উল্লাহর মেয়ে।



মন্তব্য