kalerkantho


প্রস্তাবিত দোহাজারী-সাঙ্গু থানা বিষয়ে গণশুনানি

সাতকানিয়া প্রতিনিধি   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



সাতকানিয়ার ছয়টি এবং চন্দনাইশের দুটি ইউনিয়ন নিয়ে প্রস্তাবিত দোহাজারী-সাঙ্গু থানার বিষয়ে গণশুনানি করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সাতকানিয়ার কালিয়াইশে একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লুত্ফুর রহমান, সাতকানিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা, চন্দনাইশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলায়মান ফারুকী ও সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল হোসেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী সাতকানিয়ার কালিয়াইশ, কেঁওচিয়া, খাগরিয়া, ধর্মপুর, বাজালিয়া, পুরানগড় এবং চন্দনাইশের দোহাজারী ও ধোপাছড়ি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দোহাজারী-সাঙ্গু’ নামে নতুন থানার প্রস্তাবের বিষয়ে মতামত আহ্বান করেন।

এ সময় সাতকানিয়া কালিয়াইশের ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা হাফেজ আহমদ, কেঁওচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনির আহমদ, বাজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দত্ত, ধর্মপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম ইলিয়াছ চৌধুরী, পুরানগড় ইউপি চেয়ারম্যান আ ফ ম মাহাবুবুল হক সিকদার, খাগরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, দোহাজারীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বেগসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

সাতকানিয়ার ছয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা যৌথভাবে লিখিত বক্তব্য জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন। লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, আমরা বৃটিশ আমল থেকে সাতকানিয়ার সঙ্গে আছি। সাতকানিয়াকে ভাগ করে সাঙ্গু থানার পক্ষে আমাদের অবস্থান। কিন্তু চন্দনাইশের কোনো ইউনিয়নের সঙ্গে মিলে নতুন থানা করার পক্ষে নই। প্রয়োজনে আমরা সাতকানিয়ায় থাকব। দোহাজারী ও ধোপাছড়িকে সঙ্গে নিয়ে নতুন থানার দরকার নেই।

অন্যদিকে, দোহাজারীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বেগসহ দোহাজারী ও ধোপাছড়ি ইউনিয়নের লোকজন জানিয়েছেন, তাঁরা সাতকানিয়ার ছয় ইউনিয়ন নিয়ে দোহাজারী-সাঙ্গু নামে নতুন থানার পক্ষে।


মন্তব্য