kalerkantho


নড়াইল শহরে ১১ মোটরসাইকেল চুরি ৪ মাসে

নড়াইল প্রতিনিধি   

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



নড়াইল শহর থেকে গত চার মাসে ১১টি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। একের পর এক এসব চুরির ঘটনায় সাইকেল মালিকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছে। কিন্তু এতগুলো চুরির ঘটনার পরও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাউকে আটক করতে পারেননি এবং চুরি হওয়া কোনো মোটরসাইকেল উদ্ধারও হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, শহরে অনেক নম্বর প্লেটবিহীন ও চোরাই মোটরসাইকেল চলাচল করলেও পুলিশ হয় নীরবতা পালন করছে, না হয় অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিচ্ছে।

জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে নড়াইল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলামের মোটরসাইকেলটি বাসার সামনে থেকে চুরি হয়। এর আগে বুধবার পুলিশ লাইনের পূর্ব পাশের একটি বাসার সামনে থেকে চুরি হয় আ. হাকিমের ডিসকভারি মোটরসাইকেল।

তবে ওই বাসায় তিন পুলিশ কর্মকর্তার মোটরসাইকেল থাকলেও তাঁদের সাইকেল যথাস্থানেই রয়ে যায়।

২৭ মে রূপগঞ্জ স্বর্ণপট্টি থেকে ব্যবসায়ী তোফায়েল সিকদারের মোটরসাইকেল চুরি হয়। ১৮ মে রূপগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী প্রদ্যুৎ বিশ্বাসের মোটরসাইকেলটি মুচিরপোল এলাকা থেকে চুরি হয়। ১২ মে সন্ধ্যায় রূপগঞ্জ টাউন ক্লাবের গ্যারেজ থেকে জেলা যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান বাবুর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।

১ মে সরকারি মহিলা কলেজ এলাকার বাসিন্দা সেনা সদস্য হামিমুর রহমান হিট্টুর মোটরসাইকেল আলাদাতপুর এলাকার একটি বাসার সামনে থেকে চুরি হয়। এভাবে গত চার মাসে ১১টি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এসব চুরির ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা বিজয় সরকার স্মৃতি সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকরাম শাহীদ চুন্নু বলেন, ‘শহরে একের পর এক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটছে। সদর হাসপাতাল এলাকা, ইসলামী ব্যাংক এলাকা ও নড়াইল সোনালী ব্যাংকের আশপাশে একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এর সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।’

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘হঠাৎ করে মোটরসাইকেল চুরি বেড়ে গেছে। তবে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।

কোনো পুলিশ কর্মকর্তা এসব বিষয়ের সঙ্গে জড়িত আছে—এমন প্রমাণ পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



মন্তব্য