kalerkantho

রমজানে শুটিং

২৪ মে, ২০১৮ ০০:০০



রমজানে শুটিং

রমজানে টিভি তারকাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। রোজা রেখে তাঁরা কিভাবে শুটিং করেন? ইসমাত মুমুর কাছে বলেছেন এ সময়ের তিন জনপ্রিয় তারকা

 

ভাতের ব্যবস্থা করতে বলি

আব্দুন নূর সজল

রোজা রেখে শুটিং তো করতেই হয়। এটা আমার কাজ। অন্য সময়ের চেয়ে বরং ডাবল কাজ করতে হয়। আমি রোজা রাখি, এটা প্রায় সবাই জানে। যেটা হয়, সাহরি খেয়ে একটু ঘুমাতে যাই।  দশটা-এগারোটা বেজে যায় ঘুম ভাঙতে। আমার   ধানমণ্ডির বাসা থেকে স্পটে যেতে আরো কিছু সময় লাগে। একবার শুটিংয়ে ঢুকে গেলেই হলো। কাজ করতে করতে কখনো কখনো সাহরির সময়ও হয়ে যায়। শুটিং ইউনিটে ইফতার করতে ভালোই লাগে। আগেই বলে রাখি আমি কী খাব। সাধারণত জুস, খেজুর খাই। সম্ভব হলে ভাতের ব্যবস্থা করতে বলি। সবজি বা গরুর মাংস দিয়ে ভাত খেলে প্রাণ ফিরে পাই। রোজায় শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ইফতারিতে ভাত খেলে সতেজ হই।

শুটিং হয় মধ্যরাত পর্যন্ত

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব

অন্য সবার মতো আমিও চাই রমজানে বাসায় থাকি, ইবাদত-বন্দেগি করি। কিন্তু কাজকে তো ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়। রমজানের দুই মাস আগে থেকেই কাজের চাপ শুরু হয়। ঈদের দিনও সেই ব্যস্ততা কমে না। এমনও হয়েছে ঈদের নামাজ পড়ে স্টুডিওতে গিয়ে ডাবিং করে এসেছি। রমজানে আমাদের শিডিউলে তেমন পরিবর্তন নেই। শুটিংয়ে যেতে একটু দেরি হয়। এ কারণে শুটিং করতে হয় মধ্যরাত পর্যন্ত। বাসায় ইফতার করতে পারি না খুব একটা। ছেলে কিংবা বউ এটা মানতে চায় না। ভাবছি ইফতারির বিরতিতে ওদের সঙ্গে কয়েক দিন ইফতারি করব।

 

তুই ছোট, তোর রোজা রাখতে হবে না

মেহজাবীন চৌধুরী

আমার ভাইবোনরা তো ছোট। একসঙ্গে ইফতার করার জন্য ওরা খুব করে বলে। কিন্তু পারি না। স্পেশাল কিছু রান্না হলে আম্মুকে রেখে দিতে বলি। শুটিং থেকে ফিরে সেটা খাই। আম্মু এখনো নিষেধ করে, ‘তুই ছোট, তোর রোজা রাখতে হবে না।’ তবু আমি চেষ্টা করি।  আর শিডিউলের ব্যাপারে সবাইকে মোটামুটি বলে দিই, আমাকে সন্ধ্যার আগে ছাড়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু যাঁরা শুটিংয়ের খোঁজখবর রাখেন তাঁরা জানবেন, এটা সম্ভব হয় না।

 



মন্তব্য