kalerkantho


বড় ছেলে এখন বেকার

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বড় ছেলে এখন বেকার

ভালোবাসা দিবসে অনলাইনে প্রকাশ পায় মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘বেকার’। প্রকাশের পর পরই ইউটিউব বাংলাদেশ ট্রেন্ডিংয়ে এক নম্বর অবস্থানে নাটকটি। ‘বড় ছেলে’র পর এবার ‘বেকার’ দিয়ে মাত করলেন অপূর্ব-মেহজাবীন। দুজনকে নিয়ে লিখেছেন মীর রাকিব হাসান

 

২০১৩ সালে নাটক ‘অবশেষে অন্যকিছু’তে প্রথম জুটি হয়েছিলেন। এরপর বেশ কিছু নাটকে একসঙ্গে দেখা গেছে তাঁদের। তখন খুব একটা আলোচনা হয়নি এই জুটি নিয়ে। চিত্রটা বদলে গেল ঈদের পর থেকে, চারদিকে অপূর্ব-মেহজাবীন জুটির জয়জয়কার। শুধু দর্শকই নন, সহকর্মীরাও দেখা হলে বলছেন, ‘তোমরা তো হিট!’ নেপথ্যে

মিজানুর রহমান আরিয়ানের টেলিফিল্ম ‘বড় ছেলে’। একই ঈদে আরিয়ানের নাটক ‘ব্যাচ ২৭—দ্য লাস্ট পেজ’-এও ছিলেন তাঁরা। অপূর্ব বলেন, ‘প্রথমটা তো ইতিহাস গড়ে ফেলল। কিছুটা আড়ালে পড়ে গেল অন্যটি। তবে দুটিই প্রশংসনীয়। এর পর থেকেই আমাদের জুটি করার জন্য সবাই হুড়মুড়িয়ে পড়ল।’

এই ‘হুড়মুড়িয়ে’ কী সেটা বোঝালেন মেহজাবীন, ‘অপূর্ব ভাইয়ের সঙ্গে কত নাটকের প্রস্তাব যে গত কয়েক মাসে এসেছে, হিসাব করেও বলতে পারব না। কতজনকে না করব! একসঙ্গে এত নাটক করলে দর্শক একটা সময় বিরক্ত হয়ে যাবেন। তবে এটাও মানি, দর্শক আমাদের এখন একসঙ্গে দেখতে চাচ্ছেন। আর দর্শকই তো জুটি গড়েন।’

এবারের ভালোবাসা দিবসের নাটক ‘বেকার’-এও প্রশংসিত হয়েছেন তাঁরা। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে অনলাইনে প্রকাশ পায় নাটকটি। সঙ্গে সঙ্গে হুমড়ি খেয়ে পড়ল দর্শক। এক দিনের মধ্যেই ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে চলে এলো। এরই মধ্যে প্রায় ২০ লাখ বার দেখা হয়েছে নাটকটি।

‘বেকার’ দেখতে, নাকি নতুন করে অপূর্ব-মেহজাবীন জুটিকে দেখতে আগ্রহী হয়েছে দর্শক, সেটা বলা মুশকিল। অপূর্ব বলেন, ‘এ নাটকটিরও একটা আবেদন ছিল বলেই দর্শক দেখছে, প্রশংসা করছে। দুটি নাটকের জন্যই আলাদাভাবে প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য পরিচালক।’

একটা জুটি দাঁড়িয়ে গেলে দর্শকের প্রত্যাশা বেড়ে যায়। সেটা জানেন অপূর্বও, “কারা যেন ‘বড় ছেলে সিনেমা চাই’, ‘বড় ছেলে-টু চাই’ নামে ইভেন্ট খুলেছিল ফেসবুকে। আরিয়ানকে হুমকিও দিয়েছে, বড় ছেলের দ্বিতীয় কিস্তি না বানালে তার বাড়ির সামনে মানববন্ধন করবে। আমরা আর কী বলব। এ সবই দর্শকের ভালোবাসা।”

অপূর্বর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন? মেহজাবীন বলেন, ‘শোবিজে আসার আগে থেকেই অপূর্ব ভাইয়ের অভিনয় আমার ভালো লাগে। উনি কাজটা অনেক ভালো বোঝেন, কারণ ওনার একটা ডিরেকশন সেন্স আছে। সব সময়ই বলে দেন মেহজাবীন এভাবে করলে কেমন হয় বলো তো। তাঁর দেখানো উপায়ে কাজ করলে নিজের কাছেও ভালো লাগে।’

মেহজাবীনের প্রশংসা অপূর্বর কণ্ঠেও, তবে একটু অন্যভাবে, “ওর অভিনয়ে ঢোকার ক্ষমতাটা অদ্ভুত। সব অভিনেত্রীর মধ্যে এই গুণ থাকে না। যেমন ‘বড় ছেলে’তে একটা কান্নার দৃশ্য করতে গিয়ে সত্যিই ও কান্না থামাতে পারছিল না।”

সামনে কী কাজ আসছে? ‘সামনে আমরা আরো অনেক কাজ যে করব তা তো বুঝতেই পারছেন। এখনো নতুন কিছু শুরু করিনি অবশ্য’—বললেন মেহজাবীন।



মন্তব্য