kalerkantho


সেরা বিদেশি ছবি

সত্যি হলো চিলিয়ান রূপকথা

প্রথমবার চিলির কোনো সিনেমায় ট্রান্সজেন্ডার চরিত্র। শুরুটাও হলো স্মরণীয়, ‘আ ফ্যান্টাস্টিক ওম্যান’ জিতল অস্কার

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



এক নাইট ক্লাবের গায়িকা মারিনা ভিদাল। প্রেম হয় নিজের চেয়ে ৩০ বছরের বড় এক ব্যক্তির সঙ্গে। মারিনা স্বপ্ন দেখে দিনবদলের, প্রেমিককে নিয়ে নতুন জীবন শুরুর। কিন্তু তাঁর আগেই প্রেমিকের আকস্মিক মৃত্যু। পুলিশ সন্দেহ করে বসে খোদ মারিনাকেই! নানা ধরনের মানসিক চাপ আসতে থাকে, যা আসলে চিলির সমাজের ট্রান্সজেন্ডার নারীদের দুঃখ-বেদনাকেই ফুটিয়ে তুলেছে। যে চরিত্র করেছেন বাস্তব জীবনেও ট্রান্সজেন্ডার ড্যানিয়েলা ভেগা। সিনেমার মারিনার মতোই ভেগাও আসলে মূলত গায়িকা। ট্রান্সজেন্ডার চরিত্র লেখার পরেই ভেগাকে ছবিতে নেন পরিচালক সেবাস্তিয়ান লেইও, যা ভেগার কাছে যেন ছিল অনেকটা নিজের ‘জীবন’কেই পর্দায় ফুটিয়ে তোলার মতো, ‘এটা সত্যি ঘটনা তুলে এনেছে। তবে আমি আসলে ট্রান্সজেন্ডার মায়ের চরিত্র পেলে আরো মজা পেতাম। সেটা আরো বেশি চ্যালেঞ্জের হতো, কিন্তু আমি চ্যালেঞ্জ নিতেই পছন্দ করি।’ প্রথম ছবিতেই আলোচিত হয়েছেন ভেগা। গেল বছর প্রায় গুরুত্বপূর্ণ উৎসবেই সমালোচকদের নজরে ছিল ‘আ ফ্যান্টাস্টিক ওম্যান’। আর ভেগা যেন হয়ে উঠেছেন সারা দুনিয়ার ট্রান্সজেন্ডার নারীদেরই প্রতিনিধি। ছবির পরিচালক সেবাস্তিয়ান লেইও মূলত নানা সামাজিক সমস্যা নিয়েই ছবি করেন। সাংবাদিকতার পাট শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নাইন-ইলেভেন নিয়ে বানানো তাঁর প্রামাণ্যচিত্র মনোনয়ন পেয়েছিল এমি অ্যাওয়ার্ডসেও। ‘আ ফ্যান্টাস্টিক ওম্যান’-এর আগে আরো চারটি ছবি বানিয়েছিলেন লেইও। তার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ‘গ্লোরিয়া’ ছিল এক ডিভোর্সি বৃদ্ধার সংগ্রাম নিয়ে। মুক্তির পর থেকেই বিভিন্ন সমালোচক ‘বোল্ড অ্যান্ড বিউটিফুল’ বলে আখ্যা দিয়েছে ‘আ ফ্যান্টাস্টিক ওম্যান’কে। তাদের মতে, চিলির সমাজের ট্রান্সজেন্ডারদের সমস্যা দারুণ সার্থকভাবে পর্দায় আনতে সক্ষম হয়েছে চলচ্চিত্রটি।



মন্তব্য