kalerkantho


সেরা এনিমেশন

মিগুয়েলের গল্প

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



এক, এটি মেক্সিকোর ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল সিনেমা। দুই, চীনে সেন্সরনীতি খুবই কঠোর। কিন্তু ছবিতে ‘চীনাবিরোধী’ বিষয় থাকার পরও তা দেশটিতে সেন্সর পায়। ‘কোকো’র বিষয়বস্তু এতটাই ছুঁয়ে গিয়েছিল তাদের সেন্সর বোর্ডকে। অস্কারে সেরা এনিমেশন ছবির পুরস্কার পাওয়া ‘কোকো’র মাহাত্ম্য বোঝাতে এই দুই তথ্যই যথেষ্ট। গল্পটা মিগুয়েলকে নিয়ে, মিউজিশিয়ান হওয়া যার স্বপ্ন। নিজে নিজেই টিভি দেখে গিটার বাজানো শেখে। ১২ বছরের মিগুয়েল যখন সংগীতে নিজের জীবন সঁপে দেবে তখনই বিপদ; জানা যায়, এক পুরনো অভিশাপের কারণে তাদের পরিবারে গানবাজনা নিষিদ্ধ! দমে না গিয়ে মিগুয়েল মাঠে নামে সেই পুরনো অভিশাপের রহস্য ভাঙতে। সংগীত আর অ্যাডভেঞ্চারনির্ভর ছবিটি মুক্তির প্রথম পাঁচ দিনেই ১৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে। তবে মুশকিল হয়েছিল ব্রাজিলে। সেখানে মুক্তির আগে নাম বদলে ‘কোকো’ থেকে ‘ভিভা’ করা হয়। কারণ পর্তুগিজ ভাষায় ‘কোকো’ মানে মল! 

 



মন্তব্য