kalerkantho


সেরা পরিচালক

জাদুবাস্তবতার দেল তোরো

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



মোটা দাগে বলতে গেলে হরর, ফ্যান্টাসি আর জাদুবাস্তবতা নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। ১৯৯৩ সালে তাঁর প্রথম ছবি ‘ক্রনোস’ মুক্তি পায়। তবে চার বছর পরের ‘মিমিক’-এর জন্য আলোচনায় আসেন তিনি। মেক্সিকো থেকে অস্কারেও পাঠানো হয়, যদিও চূড়ান্ত মনোনয়নে জায়গা পায়নি। দেল তোরোকে সত্যিকারের পরিচিতি দেয় ‘দ্য ডেভিলস ব্যাকবোন’। স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই হরর ছবি নির্মাতা হিসেবে তাঁর প্রথম দশকের সেরা। ক্যারিয়ারের প্রথম দশকে মাত্র তিনটি ছবি করেছেন দেল তোরো। পরের ১০ বছরে যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন, করেছেন পাঁচটি চলচ্চিত্র। যার মধ্যে অবশ্যই আসবে ‘প্যানস লাবেরিন্থ’-এর নাম। এটিও স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত। ডার্ক ফ্যান্টাসি ছবিটি অনেকের মতে ২০০৬ সালের সেরা। দেল তোরোকে বলা হয় জাদুবাস্তবতার পরিচালক। ‘প্যানস লাবেরিন্থ’-এ তিনি রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন বর্তমান সময়ের ভয়াবহতা। পরিচালকের মতে, ‘আসল ঘটনা তো সবার জানা, আমি শুধু নিজের মতো করে একটি ছবি এঁকেছি।’ মূলত ‘প্যানস লাবেরিন্থ’-এর পর থেকেই প্রভাবশালী পরিচালকদের কাতারে বিবেচনা করা হয় দেল তোরোকে। তাঁর সব ছবিতেই পাওয়া যায় নানা কিসিমের দানবেরও। মেক্সিকোর অন্য দুই পরিচালক আলফনসো কুয়ারন, আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতুর সঙ্গে নাম উচ্চারিত হয় ‘দ্য থ্রি আমিগোজ অব সিনেমা’ হিসেবে। ‘প্যানস লাবেরিন্থ’-এর মুক্তির এক যুগ পর ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’-এর সেরা পরিচালক হিসেবে অস্কার পেলেন দেল তোরো।

 


মন্তব্য