kalerkantho


নতুন বই কেজি দরে বিক্রি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



হবিগঞ্জে ভাঙ্গারি দোকান থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচ হাজারেরও বেশি নতুন বই আট টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নৈশপ্রহরী নুরুজ্জামান বইগুলো বিক্রি করেন। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

গত রবিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য প্রকাশ করেন আটক আসামিরা। পরে রাত সোয়া ৯টায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম বলেন, বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নৈশপ্রহরী নুরুজ্জামান ওরফে ঠোঁট কাটা নুরুজ্জামানের কাছ থেকে আট টাকা কেজি দরে বই কেনেন লাখাই উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের সফর উদ্দিন ওরফে মনা মিয়া। পরে তিনি ১১ টাকা কেজি দরে এসব বই বিক্রি করেন বানিয়াচং উপজেলার সাগরদীঘির পাড়ের দুলাল মিয়ার কাছে। বই কালোবাজারির ঘটনায় এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে।

গত ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ শহরের পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির পাঁচ হাজার ৫৯০টি সরকারি নতুন বই জব্দ করে।

এ সময় লাখাই উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের রাসেল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের হাশিম মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন গ্রেপ্তার দুজনসহ চারজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন কোর্ট স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী।

পরে রাসেল ও হাশিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২৭ জানুয়ারি দুলাল ও ২৮ জানুয়ারি মনা মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাউছার শোকরানা জানান, তাঁর গোডাউন থেকে এ বইগুলো বিক্রি হয়নি।

 



মন্তব্য