kalerkantho


কিশোরের চুরির অভিযাগে মা ও বোনকে মারধর

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামে এক কিশোরের চুরির অভিযোগে তার মা ও বোনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। আহতরা হলেন নলবুনিয়া গ্রামের কবির শেখের স্ত্রী হাওয়া বেগম ও তাঁদের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে। গত রবিবার সকালের এ ঘটনায় সোমবার রাতে ইন্দুরকানী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন হাওয়া বেগম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে হাওয়া বেগমের ছেলে স্কুলছাত্র কয়েক বন্ধুর সঙ্গে প্রতিবেশী মন্টুর বাড়ি থেকে কিছু মালপত্র গোপনে সরিয়ে নেয়। রাতেই মা হাওয়া ছেলেকে চাপ দিলে সে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে সে মালপত্র মন্টুদের ফেরত দিতে চান হাওয়া। কিন্তু মন্টু ও তাঁর লোকজন ফেরত দেওয়া মালপত্র নিতে অস্বীকার করে। আরো বেশি মালপত্র ছিল বলে মন্টুদের দাবি। এ ঘটনায় হাওয়া ও মন্টুদের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। রবিবার সকালে বাড়ির সামনে মালেকের দোকানে বসে কবির শেখের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় মন্টুর লোকজনের। তখন হাওয়া স্বামী কবিরকে ডাকতে যান। সেখানে স্থানীয় ইউপি সদস্য এনামুল ইসলাম ও চৌকিদার খলিলের উপস্থিতিতে মন্টু, রুবেল, বিউটি ও খাদিজা বাঁশ ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে হাওয়া বেগম ও তাঁর মেয়েকে। এনামুল দ্বন্দ্ব নিরসন না করে উল্টো কবিরকে জাপটে ধরে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ হাওয়ার। তবে এনামুল বলেন, ‘আমি কবিরকে আটকে রাখি নাই। মারামারির ঘটনা সত্য।’

হাওয়া বেগমের শরীরে গুরুতর আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন রয়েছে। তিনি পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অভিযোগ, কোথাও অভিযোগ বা মামলা করলে তাঁর মেয়েকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে মন্টুর লোকজন। ইন্দুরকানী থানার ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি রাতেই সরেজমিনে গিয়েছিলাম। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 



মন্তব্য