kalerkantho


শ্রীনগরে স্কুলের সামনে ইট-বালুর ব্যবসা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



শ্রীনগরে স্কুলের সামনে ইট-বালুর ব্যবসা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিদ্যালয়ের সামনে ইট-বালুর ব্যবসার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে উন্মুক্তভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ইট-বালুর একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিদ্যালয়ের কয়েক শ কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীনগরের ভাগ্যকুল ইউনিয়নের মান্দ্রা এলাকার ভাগ্যকুল-মান্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার দক্ষিণ পাশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ইট-বালুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সামনে বিশাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে বালু। থরে থরে সাজানো রয়েছে ইট। দমকা বাতাসে দক্ষিণমুখী ভাগ্যকুল-মান্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতর প্রবেশ করছে ধুলাবালি। এতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।

আশপাশে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভোগান্তির কারণে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমেছে। বিঘ্নিত হচ্ছে স্কুলের পাঠদান। অন্যদিকে কাছের দুটি মসজিদের মুসল্লিরাও ভোগান্তিতে রয়েছে। জাহিদ শেখ, মো. সুজন, মো. সজীবসহ একাধিক মুসল্লি আক্ষেপ করে বলেছে, তারা বালু ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। একাধিকবার এ বিষয়ে তাদের সতর্ক করলেও কোনো লাভ হয়নি।

এ বিষয়ে ইট-বালু ব্যবসায়ী সামসুজ্জামান মুন্সী বলেন, ‘আমার নিজস্ব জায়গায় ইট-বালুর ব্যবসা করছি। এতে করো সমস্যার হওয়ার কথা নয়।’

স্থানীয় হালিম বেপারী, ডি এম হাওলাদার, সেন্টু সরদারসহ অনেকেই ভাড়া করা জায়গায় এ ব্যবসা করে আসছে।

ভাগ্যকুল-মান্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান জানান, তিন বছর আগে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। এর পরও ব্যবসা বন্ধ হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমি বেশি দিন হয়নি এখানে এসেছি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।’

 



মন্তব্য