kalerkantho


কুলিয়ার চরে চোর সন্দেহে আটকের জের

সংঘর্ষে ৩০ জন আহত ২০ বাড়িঘর ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



কিশোরগঞ্জের কুলিয়ার চরে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটকের জের ধরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ২০টি বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের রামদী দক্ষিণপাড়া ও বেপারীপাড়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সরেজমিনে জানা যায়, গত রবিবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বেপারীপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আল আমিন তাঁর ঘরে চুরির চেষ্টা করেছে—এ সন্দেহে রামদী গ্রামের ইয়াছিন মিয়াকে আটক করেন। আটকের পর গ্রামবাসী ইয়াছিনকে প্রহারও করে। পরদিন সোমবার সকালে ভৈরব যাওয়ার পথে আল আমিনের ভাতিজা রিকশাচালক হৃদয় মিয়াকে ভাগলপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথরোধ করে ইয়াছিনের পরিবারের লোকজন বেধড়ক পেটায়। এসব ঘটনার জের ধরে গতকাল রামদী দক্ষিণপাড়া ও বেপারীপাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

বেপারীপাড়ার লোকজনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাদের বাড়িঘরে লুটপাটও চালায়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আবু ইউসুফ, বেনু মিয়া, সোহেল মিয়া, শাহেরা বেগম, মোমিন মিয়া, শফিক মিয়া, লিপি আক্তার, নাজমুল, তোফাজ্জল, জয় মিয়া, সাদ্দাম মিয়া, জিয়াউর রহমান, সাইদুর রহমান, বাদশা মিয়াসহ ৩০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও কুলিয়ার চর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কুলিয়ার চর থানার ওসি মো. নান্নু মোল্লা কালের কণ্ঠকে জানান, পুলিশ এলাকায় নজরদারি করছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছেন। কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে যথারীতি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য