kalerkantho


কুমিল্লায় ছাত্রদলের সংঘর্ষ-গুলি, আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা   

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



কুমিল্লায় ছাত্রদলের সংঘর্ষ-গুলি, আতঙ্ক

কুমিল্লা শহরে গতকাল ছাত্রদলের এক পক্ষ মিছিল বের করলে আরেক পক্ষ বাধা দেয়। এ নিয়ে সংঘর্ষের একপর্যায়ে ককটেল ফাটানো হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লায় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছোড়া হয়েছে। এ সময় পুলিশও শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে। ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে এ ঘটনায় সাধারণ মানুষ ভয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালায়।

কুমিল্লা জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার পর থেকে পদবঞ্চিতরা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল। গত শনিবার তারা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার পর গতকাল রবিবার এ ঘটনা ঘটাল।

স্থানীয়রা জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপি এবং ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নবগঠিত কুমিল্লা জেলা ও মহানগর ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি কুমিল্লা শহরের রামঘাট থেকে শুরু হয়ে ভিক্টোরিয়া কলেজ রোডে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে যায়। ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের সঙ্গে ধাওয়াধাওয়ি শুরু হয়। এ সময় ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। ১০ মিনিটব্যাপী এ সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়।

কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন কায়সার জানান, কেন্দ্র থেকে যোগ্যতা অনুসারে কমিটি দেওয়া হয়েছে।

মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আজ ছাত্রদলের ব্যানারে অযোগ্য নেতারা মিছিল বের করে তালা ভাঙতে আসে। তখন তাদের প্রতিরোধ করা হয়েছে। অযোগ্য নেতাদের কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না।’

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক আবু ছালাম মিয়া জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২১ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। পুলিশ ঈদ কেনাকাটায় আসা মানুষের কথা চিন্তা করে টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেনি। এ ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার আছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, কুমিল্লায় ছাত্রদলের দুই পক্ষ রয়েছে। একটি পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এবং অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।



মন্তব্য