kalerkantho


না.গঞ্জের সেই চিকিৎসককে শোকজ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা ইমনকে কারণ দর্শাতে (শোকজ) বলেছে কর্তৃপক্ষ। আড়াই বছরের শিশুর প্রেসক্রিপশনে তিনি চারটি উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ক্যাপসুল লিখেছিলেন।

এ নিয়ে কালের কণ্ঠে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর গতকাল মঙ্গলবার সকালে গোলাম মোস্তফা ইমনকে শোকজ করার পাশাপাশি তিরস্কারও করেছেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. এহসানুল হক।

এহসানুল হক বলেন, ‘অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ইমনকে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতনরা মিলে তিরস্কার করেছি। এ ছাড়া তাঁকে শোকজ করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল আড়াই বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মাথা ফেটে যায়। তাকে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। শিশুটির মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে উচ্চ মাত্রার ক্যাপসুল লিখে দেন। এর মধ্যে ফ্লুক্সিক্যাপ ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল লিখেছেন দিনে চারটি করে। যা এক সপ্তাহে ২৮টি খেতে বলেছেন। এ ছাড়া টডেল ১০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল লিখেছেন প্রতিদিন তিনটি করে পাঁচ দিনে ১৫টি। ইসাপ ২০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল প্রতিদিন দুটি করে পাঁচ দিনে ১০টি। যা নিয়ে পরে ক্ষোভ তৈরি হয়।

৪২ লাখ টাকার জালনোটসহ আটক ২

ফতুল্লায় জাল নোট তৈরি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছেন র‌্যাব সদস্যরা। তারা হলো মামুন ইসলাম ও কমল বেগম। তাদের বাড়ি বাগেরহাটে। তারা দুজন নিজেদের ভাই-বোন পরিচয় দিয়েছে। এ সময় চক্রের আরো কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লার দক্ষিণ সস্তাপুর এলাকার বাইতুল মনির সড়কের ‘খান মঞ্জিল’ নামে ছয়তলা ভবনে অভিযানটি চালানো হয়। দুজনকে আটকের সময় তাদের ঘর থেকে ৫০০ ও এক হাজার টাকা মূল্যমানের প্রায় ৪২ লাখ টাকার জাল নোট, পাঁচটি প্রিন্টার, একটি ল্যাপটপ, ১২টি প্রিন্টার ড্রাই প্লেট, জাল নোট তৈরির দুটি ফ্রেম ও জাল নোটের কাগজ জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতারকরা ওই জাল নোটগুলো ঢাকা ও এর আশপাশের শহরে সরবরাহ করত। এ চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে। আর আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য