kalerkantho


দিনাজপুর

মেয়েকে হত্যার পর মায়ের আত্মহনন!

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



দিনাজপুরের বিরামপুরে মেয়েকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার রাতে উপজেলার পলি খিয়ার মাহমুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ওই গৃহবধূকে তাঁর স্বামী তোফাজ্জল হোসেন নির্যাতন করেন। পলি খিয়ার মাহমুদপুরের তোফাজ্জলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৃত গৃহবধূ সুমী আক্তার লতিফা (৩৫) ও তাঁর মেয়ে নাসরিন আক্তারের (৯) লাশ রবিবার রাতেই উদ্ধার করে গতকাল সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নাসরিন খিয়ার মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় ২ নম্বর কাটলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, রবিবার বিকেলে সুমীকে তাঁর স্বামী মারধর করলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। রাত ৮টার দিকে ঘরে সুমীর ঝুলন্ত লাশ ও মেঝেতে নাসরিনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। শিশুটির মুখে বিষের গন্ধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নাসরিনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে তার মা ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যান সূত্রে জেনেছি নাসরিনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে মা আত্মহত্যা করেছেন।’

বিরামপুর থানার ওসি মোখলেসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুমী আক্তার লতিফা আদিবাসী। তিনি মুসলমান হয়ে তোফাজ্জল হোসেনকে বিয়ে করেন। এ ব্যাপারে সুমীর ভগ্নিপতি জগেন্দ্র হেমরন থানায় মামলা করেছেন। তোফাজ্জলকে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।



মন্তব্য