kalerkantho


পুলিশের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

ফতুল্লায় ৭ দিনের আলটিমেটাম

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ফতুল্লায় ৭ দিনের আলটিমেটাম

বিভিন্ন সড়কে অসাধু ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিসহ হয়রানি বন্ধের দাবিতে গতকাল নারায়ণগঞ্জের ট্যাংক লরি ইউনিয়ন মালিক সমিতি বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন করে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে অসাধু ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশের অব্যাহত চাঁদাবাজিসহ সব রকমের হয়রানি বন্ধের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জের ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়ন মালিক সমিতি বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন করেছে। শ্রমিকদের প্রায় তিন ঘণ্টা কর্মবিরতির ফলে ডিপো থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তেল সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

রবিবার সকালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের ফতুল্লায় যমুনা ও মেঘনা ডিপোর ট্যাংক লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ফতুল্লার নেতারা ছাড়াও সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল শাখার পদ্মা ও মেঘনা ডিপোর নেতারা বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে ফতুল্লা যমুনা ডিপোর সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় ও মেঘনা ডিপোর সভাপতি মো. আফসার উদ্দিন আফসুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি  ছিলেন বাংলাদেশ ট্যাংক লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মতিন মুন্সী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, ফতুল্লা ডিপোর মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান রিপন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোদনাইল পদ্মা ডিপোর সভাপতি জাহিদ হোসেন, গোদনাইল মেঘনা ডিপোর সাধারণ সম্পাদক আবদুল আজিজ, যমুনা ডিপোর সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম হিরু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, ফতুল্লা মেঘনা ডিপোর সাধারণ সম্পাদক মো. সাহিন। এ সময় বক্তারা ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি বন্ধে সাত দিনের আলটিমেটাম দেন। সাত দিনের মধ্যে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ না হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন নেতারা।

কুকুরের কামড়ে আহত ১১

আড়াইহাজার উপজেলায় গতকাল রবিবার কুকুরের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো নুসরাত (৮), ফজিলা বেগম (৩৫), মরিয়াম (৬), ফরিমা বেগম (৫৫), ফাহিম (৩৫), আবুল হাসান (৪০), মুসাফিক (৯), মানসুর (৩৪), শাওন (৮), জ্যোতি মণ্ডল (৪) ও মহিমা (৮)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, গতকাল রবিবার সকালে উপজেলার বৈলারকান্দী, নোয়াপাড়া ও গোপালদী গ্রামে কয়েকটি কুকুর একত্র হয়ে পথচারীদের কামড়াতে থাকে। পরে এলাকাবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করলে কুকুরগুলো পলিয়ে যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিব ইসমাইল ভূঁইয়া বলেন, ‘কিছুদিন ধরে এ এলাকায় পাগলা কুকুর ও শিয়ালের উপদ্রব বেড়েছে। আহত ১১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।’



মন্তব্য