kalerkantho

রাজীবপুর সোনালী ব্যাংক

১০ লাখ টাকা হাওয়া

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



নগদ প্রদান টেবিল থেকে ক্যাশিয়ার ১০ লাখ টাকা গুনে গ্রাহকের হাতে দেন। কিন্তু গ্রাহক দাবি করেন, টাকা দেওয়া হয়নি। এ ঘটনা ঘটে গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর সোনালী ব্যাংকের ভেতর। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ওই টাকার হদিস পাওয়া যায়নি।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজীবপুর গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ সোনালী ব্যাংক থেকে টাকা ওঠানোর জন্য ১০ লাখ টাকার একটি চেক জমা দেন। চেক অনুমোদনের পর ক্যাশিয়ারের টেবিলে যান।

ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘চেক ক্যাশিয়ারের কাছে আসা মাত্রই আমাকে বলা হয়, আপনি চলে যান। আপনাকে টাকা দেওয়া হয়েছে। আমি হাতে টাকাই পাইলাম না অথচ কয়, টাকা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে হট্টগোলের সৃষ্টি হলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এগিয়ে আসেন। আমাকে শান্ত করে বলেন, বিষয়টি দেখতেছি, আপনি বসেন। এ সময় অনেক গ্রাহক ও ব্যাংকে কর্মরতরা উপস্থিত ছিলেন।’

তবে সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার আব্দুল মজিদ বলেন, ‘ওনাকে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার পর সেটা ব্যাগে রাখেন এবং ব্যাংক থেকে চলে যান। ১০ মিনিট পর ফিরে এসে আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।’

সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমার ক্যাশিয়ার তো বলছেন, টাকা দিয়েছেন। কাগজপত্রও সব ঠিক আছে। আসলে কার ভুল বা কে মিথ্যা কথা বলছে, সেটা নিয়ে সমস্যায় আছি।’

খবর পেয়ে ছুটে এসেছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের শেরপুর জোনের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক তাজুল ইসলাম। তাঁরা গভীর রাত পর্যন্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ঘটনার পর অভিযুক্ত দুজন ব্যাংকের বাইরে গিয়েছিলেন, এমন তথ্য জানান ব্যাংকের অন্য কর্মরতরা।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ব্যবস্থাপক মিথ্যা কথা বলতে পারেন না। সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার টাকা না দিয়ে মিথ্যা কথা বলছেন। আমাদের সঙ্গে আগের একটি ঘটনার জের ধরে ক্যাশিয়ার আব্দুল মজিদ এই নাটক সাজিয়েছেন।’

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক শেরপুর জোনের জ্যেষ্ঠ মুখ্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমার ক্যাশিয়ার টাকা দিয়েছেন। চেক ও কাগজপত্র সব সঠিক। গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মীই নাটক করছেন।’



মন্তব্য