kalerkantho


শিবগঞ্জে ঘুমন্ত গৃহবধূকে হত্যা

মানিকগঞ্জ মোরেলগঞ্জে মিলল দুই লাশ

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ঘুমন্ত গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। মানিকগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর পদ্মা নদীতে মিলেছে সোহাগ পরিবহনের এক সুপারভাইজারের লাশ। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তৃতীয় লিঙ্গের একজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : শিবগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত গৃহবধূ পলি বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। পারিবারিক কলহের জেরে গত শনিবার রাতে চণ্ডীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে গতকাল রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত স্বামী মাসুদ রানাকে আটক করা হয়েছে। তিনি চণ্ডীপুর পশ্চিমপাড়ার বাহার আলীর (মৃত) ছেলে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পলির মা সেতারা বেগম জানান, ২০০৫ সালে পলির সঙ্গে মাসুদের বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। বেশ কয়েক দিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। এর জেরে শনিবার রাতে মাসুদ ঘুমন্ত স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুস সালাম জানান, পলি বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মাসুদ রানাকে আটক করা হয়েছে। 

বাগেরহাট : মোরেলগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের সোনিয়া আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার ভোরে নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, সোনিয়া আত্মহত্যা করেছেন। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোনিয়ার বাড়ি সদর উপজেলার কালিয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম ফজলুল শেখ বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মানিকগঞ্জ : নিখোঁজের তিন দিন পর পাটুরিয়া ঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে মিলেছে সোহাগ পরিবহনের সুপারভাইজার মকবুল হোসেন হাজরার লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল রবিবার সকালে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। মকবুল চাঁদপুর সদরের লালপুর এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেন হাজরার ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত বৃহস্পতিবার পাটুরিয়া ৪ নম্বর ঘাট থেকে ফেরিতে ওঠার সময় টাইলসবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এতে পন্টুনে দাঁড়ানো লোকজনও নদীতে পড়ে যায়। পরে অন্যরা সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও মকবুল নিখোঁজ হন। ডুবুরিদল তল্লাশি চালিয়েও তাঁর খোঁজ পায়নি। এ ঘটনায় শিবালয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।


মন্তব্য