kalerkantho


স্বাধীনতা-৭১ ভাস্কর্য

নারীরূপ ফেরাতে কাজ চলছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে স্বাধীনতা-৭১ ভাস্কর্যে নারী মুক্তিযোদ্ধাকে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। এর আগে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ভাস্করকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সংস্কারকাজ শেষ হলে আবার ৩৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যে পতাকা হাতে সমহিমায় দেখা যাবে নারী মুক্তিযোদ্ধাকে।

২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলার তাড়াইল ও করিমগঞ্জে একই নকশায় দুটি ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগ নেয় জেলা পরিষদ। ভাস্কর্যে রাইফেলধারী দুজন পুরুষ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে একজন নারী মুক্তিযোদ্ধার প্রতিকৃতি ছিল। কিন্তু এর মধ্যে এক পক্ষের আপত্তির মুখে একটি ভাস্কর্য থেকে নারীকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরে আবার ঊর্ধ্বতন মহলের সিদ্ধান্তে ভাস্কর্যে নারী মুক্তিযোদ্ধাকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিবির বিচিত্র বড়ুয়া জানান, তাড়াইলের ভাস্কর্যটি প্রকৃত নকশায় ফিরিয়ে আনতে ভাস্করকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভাস্কর সুশেন আচার্য জানান, যত দ্রুত সম্ভব বর্তমানের সংস্কারকাজটি শেষ করা হবে।

বাল্যবিয়ে নিয়ে গোলটেবিল

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বৈঠকে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, কাজি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিল। দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় যৌথভাবে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। ‘শিশু বিবাহ, বর্তমান বাস্তবতা এবং করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগম, করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মুজিবুর রহমান, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা সুমি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আমানউল্লাহ দর্জি, গুজাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, দেহুন্দা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সঞ্জু, বারঘড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা মো. ইকবাল, উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব মো. মতিউর রহমান প্রমুখ।



মন্তব্য