kalerkantho


কুড়িগ্রামে ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি তাপস চন্দ্র পণ্ডিতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে উপজেলার সাত ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫১ ব্যক্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তাপস গত ১৪ জানুয়ারি এ থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেন।

এর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও গ্রেপ্তার বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর থেকে গত ১৫ আগস্ট চারটি ভারতীয় গরু আটক করে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে নিলাম ছাড়াই ওই সব গরু গোপনে বিক্রি করে দেওয়া হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মাদক ও জুয়ার আসর থেকে সাত অপরাধীকে আটক করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা উেকাচ নিয়ে কৌশলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নামমাত্র জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তা ছাড়া মাদক ও জুয়া প্রতিরোধের নামে গত ২৫ সেপ্টেম্বর আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের তিন যুবককে ধরে এনে মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। উত্তর তিলাইয়ের আবুল হোসেনের ছেলে রফিকুলের মোটরসাইকেলের টুলবক্সে দুই পিস ইয়াবা ঢুকিয়ে তাঁকে আটক করে মামলা দেওয়া হয়। পরে রফিকুলকে চালান করা হলেও মোটরসাইকেলটি ছাড়ার জন্য ২২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। চর ভূরুঙ্গামারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছদরুল আলম কয়েকজন শিক্ষকসহ চর ভূরুঙ্গামারী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শাহজালালকে আসামি করে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেন।

তদন্ত ছাড়াই ওসি মামলাটি রেকর্ড করে ওই ব্যক্তিদের হয়রানি করেন। এ ব্যাপারে ওসি তাপস চন্দ্র পণ্ডিত দাবি করেন, ‘আমার কিছু স্টাফ সুবিধা আদায় করতে না পেরে এলাকার কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছেন। ’


মন্তব্য