kalerkantho


লাকসামে বিএনপির সংঘর্ষে আহত ১০

কুমিল্লা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি   

১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে শহরের দৌলতগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। দলে প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এম আনোয়ারুল আজিমের অনুসারীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম ওরফে চৈতি কালামের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে।

লাকসাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহ আলম (আনোয়ারুল আজিমের অনুসারী) বলেন, ‘বিকেলে আমি দৌলতগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়িক কাজ সেরে নাশতা খেতে হোটেলে যাচ্ছিলাম। এ সময় চৈতি কালামের অনুসারী আমান উল্লা হঠাৎ রড নিয়ে এসে আমার পেছন দিকে আঘাত করতে থাকে। এটি দেখতে পেয়ে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে আমার ওপর হামলার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার পর আমি হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিই। তবে শুনেছি, এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আমাদের তিন-চারজন আহত হয়েছে।’ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল রহমান বাদল (চৈতি কালামের অনুসারী) বলেন, ‘শাহ আলমকে কে বা কারা মেরেছে আমরা জানি না। কিন্তু দল থেকে পদত্যাগকারী আজিম অনুসারীরা বহিরাগত ও ছাত্রলীগের ক্যাডার নিয়ে একা পেয়ে হঠাৎ আমাদের তিন নেতার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাঁদের গুরুতর আহত করে। আহতরা হলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুর হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা বেলাল এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মেসবাহ উল ইসলাম ফয়সাল। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ‘বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


মন্তব্য