kalerkantho


মান্দায় মাকে হত্যার পর ছেলের আত্মসমর্পণ

ভালুকা জলঢাকা মাধবপুরে তিন লাশ

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



নওগাঁর মান্দায় মাকে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছে ছেলে। ময়মনসিংহের ভালুকায় তরুণী, নীলফামারীর জলঢাকায় গৃহবধূ ও হবিগঞ্জের মাধবপুরে যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

নওগাঁ : মান্দা উপজেলায় মাকে খুন করার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছে ছেলে আশরাফুদ্দৌলা ওরফে লাইট। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার রাতে উপজেলার সোনাপুর গ্রামে। খুন হওয়া আকলিমা বিবি একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের (মৃত) স্ত্রী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিষয়ে মা-ছেলের মধ্যে শুক্রবার দিনভর ঝগড়া-বিবাদ চলে। রাতে খাওয়া শেষে আকলিমা নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। এ সময় ছেলে আশরাফুদ্দৌলা মায়ের ঘরে ঢুকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করে। পরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ইলিয়াস আলী খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মান্দা থানার ওসি আনিছুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ভালুকা (ময়মনসিংহ) : ভালুকা উপজেলার বেলাশিয়াপাড়ায় ভাড়া বাড়ির পাশে কাঁঠালগাছ থেকে তরুণী রুনা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রুনার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। পুলিশ জানায়, রুনার মা-বাবার মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছে। সে তার গার্মেন্টকর্মী মায়ের সঙ্গে বেলাশিয়াপাড়ায় ভাড়া বাড়িতে থাকত। ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাব হোসেন জানান, আপাতত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জলঢাকা (নীলফামারী) : জলঢাকা উপজেলার বামনাবামনী গ্রামের কবিরাজপাড়ায় গতকাল শনিবার শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূ শাপলা রানীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গৃহবধূর বাবা রাজবাড়ী গ্রামের ননকেশ্বর রায়ের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য তাঁর মেয়েকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে, শাপলা রানী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর পরই গৃহবধূর স্বামী দুলাল চন্দ্র ও শ্বশুর ভোলানাথ গাঢাকা দিয়েছে।

হবিগঞ্জ : মাধবপুর থেকে গতকাল শনিবার সকালে যুবক সানু মিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। সানু উপজেলার মিরনগর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। ফরিদ মিয়ার দাবি, তাঁর ছেলে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। তবে এর কারণ জানাতে পারেননি তিনি। মাধবপুর থানার এসআই লোকমান হোসেন জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাবে না।


মন্তব্য