kalerkantho


মুখ থুবড়ে আছে সেই ব্রিজ

প্রতিদিন ক্ষতি লাখ টাকা

ফখরে আলম ও শামীম খান, মাগুরা থেকে   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



প্রতিদিন ক্ষতি লাখ টাকা

খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের মাগুরা সীমাখালীর লোহার ব্রিজটি প্রায় এক মাস ধরে ভেঙে পড়ে রয়েছে। ফলে বিকল্প পথে পাড়ি দিতে হচ্ছে ৩৫ কিলোমিটার।

এ পথে প্রায় ছয় হাজার যানবহন চলাচল করে। যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়ে ক্ষতি হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটি মেরামত অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত এই ব্রিজে একসঙ্গে ৬০ টন পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক উঠলে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। ফলে মাগুরা দিয়ে যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বেনাপোলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এসব জেলার যানবাহন ৩৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে ঝিনাইদহ হয়ে যাতায়াত করছে।

 

ফরিদপুরের কামারখালী গড়াই সেতুর টোল আদায়কারী কর্মী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘প্রতি আট ঘণ্টায় এই সেতু দিয়ে এক হাজার ৩০০ যানবাহন খুলনার দিকে যায়। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ যানবাহন সীমাখালী ব্রিজ দিয়ে যায়। তাতে আনুমানিক প্রতিদিন ছয় সহস্রাধিক যানবাহন এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করার কথা।

’ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আজিজুল আলম মিন্টু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখন প্রতি ট্রিপে প্রায় ১০ লিটার তেল বেশি লাগছে। এ ছাড়া নতুন একটি জেলার ওপর দিয়ে যাতায়াতের কারণে প্রতিটি যানবাহনকে আরো অতিরিক্ত ২০০ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, সেতু ভেঙে পড়ার কারণে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে ৮০০ টাকা। সেই হিসাবে ছয় হাজার যানবাহনকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। ’


মন্তব্য