kalerkantho


কেরানীগঞ্জে আটজনকে জিম্মি করে লুট

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার দীঘিরপাড় এলাকায় অস্ত্রের মুখে আটজনকে জিম্মি ও মারধর করে এক লাখের বেশি টাকা, তিনটি সোনার আংটি ও ১২টি মোবাইল ফোনসেট লুট করেছে ডাকাতরা। গত বুধবার রাতের এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি।

ডাকাতির শিকার মাসুদ জানান, দীঘিরপাড়ে রতনের খামারের পাশে মাছ ও গরুর খামার করছেন তিনি। শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের জন্য বুধবার রাতে মো. রিপন, হালিম, মো. স্বপন ও আবু বক্করকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সেখানে যান। এ সময় ৪০ থেকে ৫০ জনের শর্ট-প্যান্ট ও মুখোশ পরা একদল ডাকাত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদেরসহ পাহারাদার বাবুল হোসেন, সেলিম ও অজ্ঞাতপরিচয় ভেকুচালককে ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা সবার হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে এবং তাদের মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে ডাকাতরা তাঁদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা, তিনটি সোনার আংটি ও ১২টি মোবাইল ফোনসেট ছিনিয়ে নেয়। পরে মাসুদের বড় ভাই আবিদ হোসেন রানাসহ সবার পরিবারের কাছে ফোন করে ডাকাতরা পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ পরিস্থিতিতে মাসুদের বড় ভাই বিকাশের মাধ্যমে ডাকাতদের ৩০ হাজার টাকা দেন। একইভাবে অন্যদের পরিবারের লোকজনও ডাকাতদের কাছে টাকা পাঠায়।

পরে তারা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিম্মিদের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকায় ফেলে যায়। তাঁদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

এলাকাবাসী জানায়, ঘটনার দুই দিন আগে সোমবার রাতে দীঘিরপাড়ে ব্যবসায়ী ঝন্টুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয় ডাকাতরা। একই রাতে রতনের খামারের উত্তর পাশে মিরাজের বাড়িতে ঢুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। সম্প্রতি ডাকাতরা শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকার একজনকে রাতে ধরে নিয়ে গলা পর্যন্ত বালুতে পুঁতে রেখে পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা আদায় করে পরে তাঁকে ছেড়ে দেয়।

 


মন্তব্য