kalerkantho


ভ্রাম্যমাণ আদালত

কচুয়ায় পর্নো ছবি ছড়ানোয় দুই দোকানির কারাদণ্ড

মাগুরায় উচ্ছেদ ৩০ স্থাপনা

বাগেরহাট ও মাগুরা প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বাগেরহাটের কচুয়ায় পর্নো ছবি ও ভিডিও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছড়ানোর দায়ে দুই দোকানিকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিন কচুয়া উপজেলা সদরে দুটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানকালে পর্নোগ্রাফিসহ দুই দোকান থেকে দুটি কম্পিউটার জব্ধ করা হয়।

দণ্ডিতরা হলেন কচুয়া উপজেলা সদরের শেখ নজরুল ইসলাম ও গোপালপুর গ্রামের মৃণাল হালদার। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, অভিযানকালে দোকান দুটির কম্পিউটারে প্রচুর পর্নোগ্রাফি পাওয়া যায়।

এদিকে বাগেরহাট সদর উপজেলায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির  চেষ্টার অপরাধে এক ব্যক্তিকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিন বিষ্ণুপুর গ্রামে এ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডিত রোকন হালদার ওরফে রোকার বাড়ি সদর উপজেলার দেপাড়া গ্রামে। সূত্র জানায়, ওই বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান চলছিল বুধবার দুপুরে। হঠাৎ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এক ছাত্রের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পাশে পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ছাত্রীটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে রোকন হালদার।

এরপর ছাত্রীটিকে উদ্ধার ও রোকনকে আটক করা হয়।   সে আদালতকে বলেছে, বিষয়টি মীমাংসার জন্য গোটাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমানকে ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছে। তবে চেয়ারম্যান শেখ শমসের আলী টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, শ্লীলতাহানির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

এদিকে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় নবগঙ্গা নদীপাড়ের প্রায় ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালত গতকাল দুপুরে এ অভিযান চালান। আদালত সূত্র জানায়, প্রায় ৩০ বছর ধরে নিজনান্দুয়ারীর নবগঙ্গার পাড়ে টিনের ঘর তুলে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। এটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত নদীর জমি।


মন্তব্য