kalerkantho


বাগেরহাটে মা-মেয়ের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১

নতুন হুমকিতে পরিবারটি ভয়ে

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

১৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বাগেরহাটের কান্দাপাড়া গ্রামে মা ও ছোট মেয়েকে হামলা চালিয়ে আহত করার অভিযোগে গতকাল বুধবার দুপুরে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বড় মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে থানায় অভিযোগ করায় উত্ত্যক্তকারীর আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা গত সোমবার সন্ধ্যায় এ হামলা চালায় বলে পরিবারটির অভিযোগ।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা করা হয়েছে। আহত নুরুন্নাহার বেগম ও তাঁর মেয়ে নাঈমা আক্তার  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গ্রেপ্তার ফেরদৌসী বেগম (৩৮) কান্দাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী। নুরুন্নাহার বেগম অভিযোগ করে বলেন, সাত বছর আগে তাঁরা কান্দাপাড়া গ্রামে বাড়ি তৈরি করে তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে বাস করছেন। তাঁর স্বামী মো. ওসমান আলী চাকরি সূত্রে ঢাকায় থাকেন। এই দম্পতির কলেজপড়ুয়া মেয়েকে প্রায়ই নানাভাবে উত্ত্যক্ত করছিল প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম। এতে নিষেধ করলে রবিউল ক্ষিপ্ত হয়। শেষে মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় গত ৫ মার্চ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বাগেরহাট মডেল থানায় অভিযোগ করেন নুরুন্নাহার। পুলিশ রবিউলকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।

পরে মেয়েকে আর উত্ত্যক্ত করবে না—পুলিশের উপস্থিতিতে রবিউল ও তার আত্মীয়স্বজনরা এমন প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর রবিউলদের চাপে পড়ে নুরুন্নাহার থানা থেকে অভিযোগ তুলে নেন। রবিউল থানা থেকে ছাড়া পায়। কিন্তু রবিউলকে পুলিশ ধরে নেওয়ায় তার আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় নুরুন্নাহার ও তাঁর মেয়ে নাঈমা আক্তারকে পিটিয়ে আহত করে। নাঈমা আক্তার জানায়, তাদের এখন নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তাদের পরিবার ভয়ে আছে। সে কিভাবে বিদ্যালয়ে যাবে, তা নিয়ে চিন্তিত।

নুরুন্নাহারের প্রতিবেশী নূরজাহান বেগম ও আহাদ আলী শেখ জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁরা হঠাৎ বাড়ির পাশে চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হন। গিয়ে দেখেন, ওই মা ও মেয়েকে মারধর করে আহত করা হয়েছে।

বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান খান জানান, এ ঘটনায় নুরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে সুমন মোল্লাসহ আটজনের নামে থানায় একটি মামলা করেছেন। তবে মামলায় রবিউলকে আসামি করা হয়নি।


মন্তব্য