kalerkantho


হবিগঞ্জে ছাত্রের মৃত্যু

হত্যাকাণ্ড বলছে পরিবার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



হবিগঞ্জ শহরে মেসে বসবাসকারী বৃন্দাবন সরকারি কলেজের এক ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সহপাঠীরা আত্মহত্যা বললেও স্বজনদের দাবি, তাঁকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, বানিয়াচং উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের হিয়ালা গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহ চৌধুরীর ছয় ছেলের মধ্যে সামছুল আলম টুকু (২৪) চতুর্থ। তিনি হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। প্রায় এক বছর ধরে তিনি হবিগঞ্জ শহরের যশেরআব্দা এলাকার ওসমান মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে লেখাপড়া করে আসছিলেন। তাঁর সঙ্গে একই রুমে তাঁর ফুফাতো ভাই শাকিব আহমেদ ও উত্তর সাঙ্গর গ্রামের সামছুল হক থাকতেন। তাঁরাও কলেজ ছাত্র। শাকিব জানান, রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে তিনি ও সামছুুল হক মেসের বাইরে ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেসে ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। এ সময় তিনি টুকুকে ডাকাডাকি করেও জবাব না পেয়ে মোবাইল ফোনসেটে ফোন দেন। কিন্তু টুকু ফোনও রিসিভ করেননি।

পরে পাশের রুমের ছিদ্র দিয়ে টুকুকে ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাঁরা চিৎকার শুরু করেন। এ সময় লোকজন জড়ো হয়। পরে পাশের রুমের ওপর দিয়ে ভেতরে গিয়ে দরজা খুলে দা দিয়ে প্লাস্টিকের দড়ি কেটে টুকুর নিথর দেহ নামিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বড় ভাই বদরুল আলম চৌধুরী তাঁর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই মীর্জা মাহমুদুল হাসান হাসাপাতালে গিয়ে লাশ দেখে পরে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তিনি বাড়ির মালিকসহ অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন।


মন্তব্য