kalerkantho


ভালুকায় জুতার গুদামে আগুন, নগদসহ ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ভালুকা বাজারের রায় সুপার মার্কেটের একটি জুতার গুদামে শনিবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিটের প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর গতকাল রবিবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই গুদামের মালিক জানিয়েছেন, আগুনে তাঁর নগদ সাড়ে ছয় লাখ টাকা ও প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে রায় সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় হিরা সু স্টোরের একটি গুদামে আগুন জ্বলতে দেখে ভালুকা ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় আগুন নেভাতে শুরু করে। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিস ভালুকার আরো একটি, ত্রিশালের একটি, ময়মনসিংহের তিনটি ও শ্রীপুরের একটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিস ময়মনসিংহ জেলার উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) কাজী নজুমুজ্জামানের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট গতকাল রবিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ বা কোথা থেকে এর সূত্রপাত তা তাত্ক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, পৌর মেয়র ডা. এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোরারজী দেশাই বর্মণ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. মনিরুল হক ফারুক রেজা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন আহাম্মেদ ধনু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রায় মাকেটের ব্যবসায়ী উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি মলয় নন্দী কালের কণ্ঠকে জানান, একটি কীর্তনের আসর থেকে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে মার্কেটে ফিরে এসে তিনি ওই জুতার গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে ঘটনাটি ভালুকা ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশকে জানান। খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে শুরু করেন।

ফায়ার সার্ভিস ভালুকার স্টেশন অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ‘রাত ৪.০১ মিনিটে খবর পেয়ে ৪.০৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি আমরা। কিন্তু আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় আমরা শ্রীপুর, ত্রিশাল ও ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসকে খবর পাঠাই। গুদামের ভেতরে অনেক র‌্যাক থাকার কারণে পানি ছিটাতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছিল। তাই গুদামের দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলতে হয়েছে। ’


মন্তব্য