kalerkantho


শিক্ষার্থীদের মারধর

শিবগঞ্জে মাদরাসা সুপার অবরুদ্ধ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ   

১২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সোনামসজিদ বালিয়াদিঘী এলাকায় দারুস সুন্নাত গোলস্থীয়া দাখিল মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দুই ঘণ্টা আটকে রাখে শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত শিক্ষার্থীরা হলো শিয়ালমারা গ্রামের শুকুরুদ্দিনের মেয়ে ও মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শিউলি, একই শ্রেণি ও গ্রামের আরিফুল ইসলামের মেয়ে শরিফন ও আব্দুল লতিফের ছেলে ও সপ্তম শ্রেণির ছাত্র দুরুল।

নির্যাতিত ছাত্রী শিউলির বাবা শুকুরুদ্দিন বলেন, ‘আমার মেয়েকে মাদরাসা সুপার আব্দুল মালেক পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। পরে স্থানীয় এক চিকিৎসক মাদরাসায় গিয়ে ইনজেকশন দিলে জ্ঞান ফেরে। খবর পেয়ে আমরা আমার মেয়েকে নিয়ে আসি এবং চিকিৎসা করাই। এখন সে ব্যথায় বিছানায় পিঠ দিয়ে শুতে পারছে না। ’

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মাদরাসা সুপার আব্দুল মালেক জানান, শ্রেণিকক্ষে এক সঙ্গে ঢুকতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কিতে দরজায় লেগে শিক্ষার্থীদের এমন ঘটনা ঘটে।

আগুন পুড়ল সাত বাড়ি

এদিকে শিবগঞ্জের বোগলাউড়ি তরকারিপাড়া গ্রামে গত শুক্রবার রাতে অগ্নিকাণ্ডে সাতটি বাড়ি পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় মারা গেছে দুটি গরু ও চারটি ছাগল। জানা যায়, রাত পৌনে ১০টার দিকে পাঁকা ইউনিয়নের বোগলাউড়ি তরকারিপাড়া গ্রামের একরামুল হকের বাড়িতে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত।

পরে এ আগুনে মৃত আনেস আলীর ছেলে কালু মিয়া, একরামুল হক, রফিকুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, ফজলুল হকের বাড়িসহ সাতটি পরিবারের বাড়িঘর পুড়ে যায়। দগ্ধ হয়ে মারা যায় একরামুল হকের দুটি গরু ও চারটি ছাগল।


মন্তব্য