kalerkantho


দৌড়ে দৌড়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া

সাইফুল আলম বাবু, পঞ্চগড়   

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



দৌড়ে দৌড়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া

সামসুজ্জামান আরাফাত গতকাল দুপুরে দৌড়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌঁছেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু করে গতকাল সোমবার দুপুরে দৌড়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌঁছান সামসুজ্জামান আরাফাত। সেখানে বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনসহ স্থানীয় লোকজন তাঁকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানায়।

দেশে প্রথমবারের মতো ‘দ্য গ্রেট বাংলাদেশ, রান ফর হেলদি বাংলাদেশ’ প্রত্যয় নিয়ে আরাফাত গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে দৌড় শুরু করেন। গতকাল পর্যন্ত ২০ দিনে দৌড়েছেন প্রায় এক হাজার চার কিলোমিটার। প্রতিদিন গড়ে ৫০ কিলোমিটার। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু (যমুনা) সেতু দিয়ে দৌড়ানোর অনুমতি না থাকায় সাঁতরে যমুনা নদী পার হন দুইবার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া এ তরুণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের স্নাতকোত্তর আরাফাত গত বছর ভারতের মেঘালয়ে চেরাপুঞ্জি ম্যারাথনে অংশ নিয়েছিলেন। স্বপ্ন রয়েছে সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এ উদ্যোগে নানা কলাকৌশল দিয়েছে উডপেকার। পৃষ্ঠপোষকতা করেছে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। তিনি জানান, দৌড়ানোর হাজার কিলোমিটার পথের অভিযানে তিনি যেখানেই থেমেছেন, সেখানেই মানুষ অবাক হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়েছে।

‘এটাও কী সম্ভব?’ প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছে অভিযানের নানা কথা। নিজেকেই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন, ‘মনোবল আর চেষ্টা থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব। ’ জানিয়েছেন, সুসাস্থ্যের প্রয়োজনে প্রতিদিন ন্যূনতম এক কিলোমিটার দৌড়াতে হবে। খেলাধুলায় মনোযোগী হতে হবে। থাকতে হবে মাদকমুক্ত।

আরাফাত বলেন, ‘দৌড়ানোর এ অভিযানটি একটি মাইন্ড গেম। ধৈর্য শক্তির পরীক্ষা। নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিযোগিতা। আর অদম্য মনোবলই অভিযানে সফলতা এনে দিয়েছে। ’


মন্তব্য