kalerkantho


বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

এলাকা থমথমে ছাত্রলীগ নেতাদের নামে দুই মামলা

রংপুর অফিস   

৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



চাঁদাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষের পর থেকে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৫০ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শনিবার রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তিন সদস্যের তদন্তদল গতকাল বিকেলে রংপুরে পৌঁছেছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি এ বি এম জাহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান শিশিরকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন পার্কের মোড় এলাকার লিফা ফাস্ট ফুড অ্যান্ড কনফেকশনারির মালিক মাজেদুল ইসলাম। অন্য মামলাটি করেছেন পার্কের মোড় ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক এস এম মাসুদ রানা। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শনিবার সকালে ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান শিশিরের দাবি করা এক লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় লিফা ফাস্ট ফুড অ্যান্ড কনফেকশনারিতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এর প্রতিবাদে বিকেলে ব্যবসায়ীরা সমাবেশ ডাকলে ছাত্রলীগ একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়।

ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় ১০টি দোকানে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে গতকাল রবিবার সকালে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরানসহ তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে স্থানীয়রা। ফলে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, বাড়ছে শঙ্কাও। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিনজনের একজন আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। আমরা পুলিশকে অভিযোগটি দিয়েছি এবং ব্যবস্থা নিতে বলেছি।


মন্তব্য