kalerkantho


টঙ্গীতে গৃহবধূকে ঘরে আটকে নির্যাতন

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



গাজীপুরের টঙ্গী তিস্তার গেট এলাকায় টাকার জন্য গৃহবধূ চৈতী আক্তারকে (২২) তাঁর স্বামী সোহেল হোসেন ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় গত বুধবার রাতে টঙ্গী থানায় একটি মামলা হয়েছে। সোহেল পলাতক রয়েছেন।

চৈতীর চাচি সুমি জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের উত্তরখয়ড়াকুডি গ্রামের হুমায়নের মেয়ে চৈতী আক্তার। দেড় বছর আগে চৈতীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জের আকবর আলীর ছেলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোহেলের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে সোহেল চৈতীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাচ্ছিলেন।

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত বুধবার সোহেল চৈতীকে বাসার ঘরে আটকে নির্যাতন চালান। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে খবর দিলে টঙ্গী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল ঘটনাস্থলে গিয়ে চৈতীকে উদ্ধার করেন।

সুমি আরো জানান, সোহেল চৈতীকে বিয়ের আগে আরো দুটি বিয়ে করেন।

এ দুই বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন সোহেল। চৈতীকে বিয়ের পর টাকার জন্য শুরু হয় নির্মম নির্যাতন।

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগ করেও সোহেলকে পাওয়া যায়নি। টঙ্গী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসানুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


মন্তব্য