kalerkantho


ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

পাশের বাড়িতেই মিলল দুই বস্তা সরকারি ওষুধ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের একটি বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে বালাপাড়া ইউনিয়নের রূপাহারা গ্রামের মমিনুর রহমানের বাড়ি থেকে দুই বস্তাভর্তি এসব ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চুক্তিভিত্তিক টিকা বহনকারী (পোর্টার) কর্মচারী।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে উপজেলা শহরের রূপাহারা গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি বস্তায় ১৩ প্রকারের ২০ হাজার ৩৩০ পিস সরকারি ওষুধ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক দাম আড়াই লাখ টাকা। উদ্ধার হওয়া সরকারি ওই ওষুধ ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমরা সরকারি ওই ওষুধ উদ্ধার এবং মমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে কেউ মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। ’

গ্রেপ্তার হওয়া মমিনুর রহমান থানায় বলেন, ‘আমি অস্থায়ী কর্মচারী হিসেবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা বহন করি।

গত সোমবার রাতে ওই দুটি বস্তায় রাখা ওষুধ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট সফিয়ার রহমান আমাকে বাড়িতে রাখতে দেন। সেটি কী করা হবে তা আমাকে বলেননি তিনি। ’

এ ব্যাপারে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফার্মাসিস্ট সফিয়ার রহমান বলেন, ‘মমিনুর রহমানের তথ্য সঠিক না। সে ওই ওষুধ কোথায় পেয়েছে তা আমার জানা নেই। তার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব থাকায় সে আমকে ফাঁসাতে এমন কথা বলছে। ’

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর কিপার মোবারক আলী মঙ্গলবার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি কুড়িগ্রামে অবস্থান করছি। উদ্ধার হওয়া ওষুধ ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের না। আমার স্টোর ঠিক আছে। ’

সিভিল সার্জন আব্দুর রশিদ বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া সরকারি ওষুধ কোন জায়গার তা তদন্ত না করে বলা যাবে না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’


মন্তব্য