kalerkantho


সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ৪, আহত ৫

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেছে স্কুল শিক্ষকের। এ ছাড়া পটুয়াখালীর কলাপাড়া, কুমিল্লার মুরাদনগর ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আলাদা দুর্ঘটনায় দুই শিশুসহ তিনজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে।

বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

রাজশাহী : মায়ের ওষুধ কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শিক্ষক জুলফিকার আলী ভুট্টু। পথে যাত্রীবাহী বাস কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সোমবার সকালে পুঠিয়া উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে। ভুট্টু উপজেলার সিংড়া ধোপাপাড়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী ছেলে। তিনি এসআরজি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা বাড়িতে জড়ো হয়। ভুট্টুর বড় ভাই ইয়াছিন আলী বলেন, ‘ডিগ্রি পাস করে এসআরজি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয় ভুট্টু। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় বিনা বেতনেই ১২ বছর ধরে সেখানে চাকরি করছিল। আর্থিক টানাপড়েনের কারণে বিয়েও করেনি ভুট্টু।

মাকে নিয়েই থাকত সে। এরই মধ্যে মা আরজান বেওয়া ব্রেন স্ট্রোক করে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। ফলে স্কুল আর মায়ের সেবাযত্ন করেই দিন কাটছিল ভুট্টুর।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়া উপজেলার চর ধুলাসরে গত রবিবার রাতে অটোভ্যানের চাপায় নিহত হয়েছে শিশু শুভ মিয়া (১১)। পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাড়ি থেকে অটোভ্যানে করে শুভ তার মা-বাবার সঙ্গে মামাবাড়িতে যাচ্ছিল। পথে স্পিড ব্রেকারের সঙ্গে ভ্যানটি ধাক্কা খেলে সে রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এ সময় ভ্যানটির নিচে চাপা পড়ে শুভ। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্ক মৃত ঘোষণা করেন।

মুরাদনগর (কুমিল্লা) : মুরাদনগর উপজেলায় ট্রাকচাপায় রিকশাচালক রমিজউদ্দিন নিহত হয়েছেন। গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার গকুলনগর এলাকার হাসান ব্রিকসের সামনে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মুন্সীগঞ্জ : গজারিয়া উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে পাঁচজন। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বালুয়াকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বিশাল চন্দ্র দাস (১১) নরসিংদী সদরের আটপাইড় গ্রামের বিশ্বনাথ দাসের ছেলে।


মন্তব্য