kalerkantho

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহিলা আ. লীগ

পারিবারিক কমিটি!

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মা সভাপতি, মেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক। মা সহসভাপতি, মেয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বড় বোন সভাপতি, ছোট বোন শ্রমবিষয়ক সম্পাদক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যে ২০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ পাঁচজনের সম্পর্ক মা-মেয়ে ও খালা।

এ ছাড়া কমিটিতে রাখা হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকাকেও। একাধিক মামলা আছে—এমন নারীও স্থান পেয়েছেন কমিটিতে।

গত রবিবার বিকেলে সম্মেলনের শেষ দিকে মহিলা আওয়ামী লীগের ২০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে কমিটিতে আরো কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

একটি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রস্তাবিত নতুন কমিটিতে পদপ্রাপ্তরা হলেন সভাপতি মিনারা আলম, সহসভাপতি সাদেকা বেগম, আসমা বেগম, রেহেনা বেগম রানী, নাসিমা চৌধুরী, শামীমা মুজিব, নিলুফা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলেয়া চৌধুরী, মারহুমা আক্তার কল্পনা, রুমানুল ফেরদৌস, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলি, নাসরিন হালদার শিশির, আফরিন খন্দকার করুণা, আকলিমা রহমান, মোফেজা বেগম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুন্নাহার, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মিলি ইসলাম, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক নাসিমা কাইয়ুম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফারজানা আক্তার লাকী, অর্থ সম্পাদক আনার কলি/মুফেজা বেগম, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শিল্পী আক্তার, বন ও পরিবেশ সম্পাদক সোনিয়া আক্তার সূচি, দপ্তর সম্পাদক ফেন্সি বেগম, সদস্য স্বপ্না কবির, নিলা সিদ্দিকা, মমতাজ বাশার, মুক্তি খানম, সেলিনা মাহবুব, রোকসানা বেগম, তাহমিনা আক্তার পান্না, রোকেয়া বেগম ও উমা পাল।

তবে সোমবার বিকেল পর্যন্ত এ কমিটি প্রকাশ করা হয়নি। এতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, কমিটির সভাপতি মিনারা আলমের মেয়ে আকলিমা রহমানকে করা হয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক। মিনারা আলমের বোন নাসিমা কাইয়ুম পেয়েছেন শ্রমবিষয়ক সম্পাদক পদ। সহসভাপতি নিলুফা ইয়াসমিনের মেয়ে মারহুমা আক্তার কল্পনাকে করা হয়েছে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। নতুন কমিটিতে সহসভাপতির পদ পাওয়া সাদেকা বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত বলেন, ‘অযোগ্য অনেককেই এ কমিটিতে রাখা হয়েছে। মা, মেয়ে ও বোন রয়েছেন কমিটিতে। এ ছাড়া রাজপথে যাদের দেখা যায়নি, তাদেরও স্থান মিলেছে। আমরা এ কমিটিকে মানি না, সমর্থন করি না। ’

সভাপতি মিনারা আলম বলেন, ‘আমার বোন ও মেয়ে আগের কমিটিতেই ছিল। আমরা একটি কমিটি করেছি, যেটি আমার ছেলে সাংবাদিকদের মধ্যে সরবরাহ করবে। ’


মন্তব্য