kalerkantho


চালকের যাবজ্জীবন

চুয়াডাঙ্গা থেকে কোনো বাস ছাড়েনি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল শুক্রবারও চুয়াডাঙ্গা জেলার সব রুটে বাস-মিনিবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ ছিল। আগের দিনের মতো গতকালও ঢাকাগামী কোনো যানবাহন চুয়াডাঙ্গা ছেড়ে যায়নি।

কর্মবিরতির কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে সারা দেশের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস-মিনিবাস ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম জেনারেল জানান, কর্মবিরতির অব্যাহত থাকায় চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা-হাটবোয়ালিয়া রুটে কোনো বাস ও মিনিবাস চলেনি।

ঢাকাগামী চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা পরিবহন, জে আর পরিবহন, রয়েল পরিবহনসহ সব যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তিনি জানান, শনিবার আঞ্চলিক শ্রমিক ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভা হবে যশোরে। ওই সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী কর্মসূচি পালন করা হবে।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় বাস-ট্রাকের কর্মবিরতির ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে অন্য জেলায় এবং জেলার ভেতরে চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে তারা। স্থানীয়ভাবে তৈরি শ্যালো ইঞ্জিন কিংবা ব্যাটারিচালিত যানবাহনে চড়ে যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। এতে সময় লাগছে অনেক বেশি।

যাতায়াত ভাড়াও বেশি পড়ছে। সব মিলিয়ে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চুয়াডাঙ্গার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাস আরোহী তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহত হন।

গত বুধবার মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ডিলাক্স পরিবহনের চালক জামির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। ওই দিনই শ্রমিকরা কোনো কর্মসূচি ঘোষণা ছাড়াই চুয়াডাঙ্গা জেলায় বাস-মিনিবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেন। বুধবার রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস-ট্রাক ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বৈঠক করে তিন দিনের কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


মন্তব্য